দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে উচ্ছ্বসিত দিয়া। একে একে ঘুরে দেখেন বন্ধুসভা, সমন্বিত বার্তাকক্ষ, গোল্লাছুটসহ প্রথম আলোর বিভিন্ন স্টল। স্বপ্ন নিয়ে স্টলের সামনে বসানো হয়েছে ডার্ট অ্যারো গেম। সেখানে পাঠকেরা লাইন দিয়ে গেমস খেলছিলেন।

ডার্ট অ্যারো গেমস দেখে রোমাঞ্চিত দিয়া ছোট তির নিয়ে বুলস আইয়ে লাগানোর চেষ্টা করেন। কয়েকটি তির নিশানা ছুঁতে পারলেও বেশ কয়েকটি লাগে নিশানার বাইরে। মজার এ গেমস বেশ উপভোগ করছিলেন দিয়া। বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখার সময় দিয়ার সঙ্গে সেলফি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন অনেক পাঠক।

পাঠক উৎসবে ছিল জনপ্রিয় শিল্পীদের গান, নৃত্যদল তুরঙ্গমীর বিশেষ নৃত্য পরিবেশনাসহ নানা অনুষ্ঠান। দিনের শুরুতে মূল অনুষ্ঠান মঞ্চে উঠে নিজের টোকিও অলিম্পিকে খেলার অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করেন পাঠকদের সঙ্গে।

প্রথম আলোর পাঠক উৎসবে এসে দিয়া বলছিলেন, ‘খেলার জন্য ব্যস্ত সময় পার করতে হয় আমাদের। এ জন্য এমন অনুষ্ঠানে আসার সুযোগ খুব কম মেলে। আমি সাধারণত বই পড়তে ভালোবাসি। খেলা থেকে অবসর মিললেই বই পড়ি। এখানে এসে বইয়ের স্টল দেখে খুব ভালো লাগল।’

অনুষ্ঠানের এক পাশে লাইফস্টাইলের স্টলে কেউ দিচ্ছেন মেহেদী, কেউ করছেন নোখের আর্ট। দিয়াও লাইফস্টাইলের স্টলে গিয়ে একফাঁকে নোখের আর্ট করিয়েছেন। দিয়ার বাবা নূর আলম সিদ্দিকী নীলফামারী জেলায় সাংবাদিকতা করেন।

স্বাভাবিকভাবেই ছোটবেলা থেকে দৈনিক পত্রিকা পড়াটা দিয়ার অভ্যাস। প্রথম আলোর পাঠক উৎসবের মঞ্চে উঠে নিজের প্রিয় পত্রিকার প্রশংসা করলেন, ‘প্রথম আলোর খবর সব সময়ই আমার ভালো লাগে। শুধু আর্চারি নয়, সব রকমের খেলার খবরই জানতে প্রথম আলোর অনলাইনে চোখ রাখি, প্রতিদিনের ছাপা পত্রিকাও পড়ি। প্রথম আলোর ২৪ বছরের জন্মদিনে সবার জন্য রইল শুভকামনা।’