ডাবলিনে ২০১১ সালে আয়ার‌ল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডেতে অভিষিক্ত স্টোকস এ সংস্করণে ১০৪ ম্যাচে ২৯১৯ রান ও ৭৪ উইকেট নিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে স্টোকস বলেছেন, ‘এই সিদ্ধান্তটা নেওয়া ছিল জীবনের কঠিনতম সিদ্ধান্ত। তবে এই সংস্করণে সতীর্থদের প্রতি নিজের শতভাগ উজাড় করে দিতে পারব না—এটা ভেবে মনে হয়েছে সিদ্ধান্তটা তেমন কঠিন না। ইংল্যান্ডের জার্সি এর চেয়ে কম কিছু পেতে পারে না। এখন আমার জন্য তিন সংস্করণে খেলা আর সম্ভব হচ্ছে না।’

default-image

স্টোকস তাঁর অবসর-বার্তায় আরও বলেছেন, ‘ঠাসা সূচিতে শুধু শরীর সায় দিচ্ছে না তা নয়, আমি মনে করি, আমি আরেকজন খেলোয়াড়ের জায়গা দখল করে আছি যে (অধিনায়ক) জসকে (বাটলার) এবং দলকে শতভাগ দিতে পারবে।’

২০১৯ বিশ্বকাপ ফাইনাল হয়ে থাকবে স্টোকসের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে অন্যতম স্মরণীয় ম্যাচ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৮৪ রানে অপরাজিত ইনিংসে ম্যাচটা সুপার ওভারে টেনে নিয়ে গিয়েছিলেন স্টোকস। সুপার ওভারে ৩ বলে ৮ রান তুলে ইংল্যান্ডের প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ে অবিস্মরণীয় অবদান রাখেন।

তাঁর জায়গায় নতুন যে খেলোয়াড় আসবেন তাঁর কাছে এমন স্মরণীয় পারফরম্যান্সই চাইলেন এই পেস অলরাউন্ডার, ‘এখন সময় অন্য কারও, যে গত ১১ বছর ধরে আমার মতো অবিস্মরণীয় সব স্মৃতির জন্ম দেবে।’

default-image

টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি এখন পুরোপুরি মনোযোগ দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন স্টোকস, ‘এখন থেকে টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি আমি নিজেকে শতভাগ উজাড় করে দেব। টি-টোয়েন্টির প্রতিও পুরোপুরি নিংড়ে দেওয়ার মানসিকতা থাকবে। গত সাত বছরে সাদা বলের ক্রিকেটে আমরা অনেক এগিয়েছি, ভবিষ্যৎও উজ্জ্বল।’

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন