বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামে গতকাল মোহামেডানের মুখোমুখি হয়েছিল পুলিশ স্পোর্টিং ক্লাব। ওই ম্যাচ চলাকালে রাসেল মাহমুদ শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন আম্পায়ার ইমতিয়াজ সানিকে। এ ছাড়াও ধাক্কা দেন পুলিশ স্পোর্টিং ক্লাবের গোলরক্ষক কাঞ্চন মিয়াকে, গলা চেপে ধরেন ডিফেন্ডার শাওন তিগ্যাকে। তর্ক জুড়ে দেন পুলিশ হকি দলের ম্যানেজার ও পুলিশ কর্মকর্তা রাকিব হোসেন ভূঁইয়ার সঙ্গে।

যদিও রাসেল মাহমুদের এই শাস্তি কম হয়েছে বলেই জানালেন হকি ফেডারেশনের সহসভাপতি রশিদ সিকদার, ‘বাইলজ অনুসারে সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হতে পারত সে। কিন্তু যেহেতু প্রায় তিন বছর মাঠে খেলা হয়নি। সামনে লিগ শুরু হবে। অনেক বিষয় বিবেচনা করে খেলাধুলার বৃহত্তর স্বার্থে তাকে সর্বনিম্ন শাস্তিটাই দেওয়া হয়েছে। এ জন্য এক ম্যাচ নিষিদ্ধ থাকবে সে। এবং জরিমানার টাকা তাঁকে খেলা শুরুর আগে জমা দিতে হবে ফেডারেশনে। মাঠের আম্পায়ারের দেওয়া প্রতিবেদন, বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ দেখেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

default-image

মাঠে আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে বেশ নাখোশ দুই দলের খেলোয়াড়েরা। ওই ম্যাচের দায়িত্বে থাকা আম্পায়ার ইমতিয়াজ সানিকে তাই সতর্ক করে দিয়েছে টুর্নামেন্ট কমিটি। পাশাপাশি তাকে আগামী ১০ ম্যাচ পরিচালনা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করেছে টুর্নামেন্ট কমিটি। আম্পায়ারদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রশিদ শিকদার, ‘আম্পায়ার ঠিকমতো মাঠ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। সেদিন জিমি (রাসেল মাহমুদ) লাল কার্ডও পেতে পারত। যদি সেটা দেওয়া হতো তাহলে হয়তো বিষয়টা এত দূর নাও গড়াতে পারত। সে ক্ষেত্রে আম্পায়ার বোর্ডকে সুপারিশ করব কমপক্ষে পরবর্তী ১০ ম্যাচ যেন আম্পায়ার সানি কোনো খেলা না পরিচালনা করতে পারে।’

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন