default-image

গেমসে গিয়েও খেলতে না পারার দুঃখ কিছুতেই ভুলতে পারছেন না সুরকৃষ্ণ চাকমা। হতাশ এই বক্সার বলছিলেন, ‘যাঁরা আমার লড়াই দেখতে চেয়েছিলেন, তাঁদের কাছে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। আমার শারীরিক অবস্থা দেখে ডাক্তার আমাকে খেলতে নিষেধ করেছেন। সবকিছুর জন্য সত্যি আমি দুঃখিত। আমার কী যে খারাপ লাগছে, সেটা কাউকে বলে বোঝাতে পারব না। এটাকে দুর্ভাগ্যই বলব। আমার মধ্যে কোনো চাপ ছিল না। তবে গত রাতে ভালোমতো ঘুম না হওয়ার কারণেই হয়তো এমনটা হয়েছে।’

বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যাওয়া চিকিৎসক শফিকুর রহমান বলেন, ‘আসলে এটা ওর দুর্ভাগ্য। ইভেন্টের দিন সকালে রুটিন মেডিকেল চেক-আপে ওর উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ে। এরপর ১৫-২০ মিনিট বিশ্রাম দিয়ে ফের পরীক্ষা করলেও প্রেশার বেশি আসে বলে ওকে খেলতে অনুমতি দেয়নি কর্তৃপক্ষ। পরে তাঁকে স্থানীয় পলি ক্লিনিকে নিয়ে এলে সেখানকার চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে খানিকটা বেশি রক্তচাপ দেখতে পান। কিন্তু এর এক ঘণ্টা পর থেকেই তাঁর প্রেশার কমতে শুরু করে এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যায়। তবে গেমসের নিয়ম অনুযায়ী একটা নির্দিষ্ট সময়ের আগে মেডিকেল টেস্ট উত্তীর্ণ হতে হয়। যেটা তিনি করতে পারেননি।’

গেমসে গিয়েও খেলতে না পারার ঘটনা অবশ্য এবারই প্রথম নয় বাংলাদেশের জন্য। এর আগে গোল্ডকোস্ট কমনওয়েলথ গেমসে খেলতে গিয়েছিলেন বক্সার আল আমিন ও রবিন মিয়া। কিন্তু ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত সর্বশেষ কমনওয়েলথ গেমসে গিয়েও রিংয়ে নামতে পারেননি এই দুই বক্সার। গেমস শুরুর আগে নিয়ম অনুসারে টেকনিক্যাল সভায় অংশ নিতে হয় সে দেশের ম্যানেজারকে। কিন্তু বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার কাজী আবদুল মান্নান নিজের অজ্ঞতার কারণে ওই সভায় যোগ দিতে ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত আয়োজক কমিটি বাংলাদেশকে বক্সিংয়ে অযোগ্য ঘোষণা করে।

এবারের গেমসে সুরকৃষ্ণ চাকমা ছাড়াও খেলবেন বক্সার হাসান আলী ও সেলিম হোসেন।

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন