মোনার্ক পদ্মায় খেলেছেন ২০১৪ ও ২০১৮ বিশ্বকাপে খেলা ভারতের ডিফেন্ডার চিংলেসোনা সিং, দক্ষিণ কোরিয়ার উহিয়ং সিও ও জাপানের মিয়া তানিমিতসু। পাশাপাশি জাতীয় দলের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার রাসেল মাহমুদ, ইমরান হোসেন, খালেদ মাহমুদদের নিয়ে বেশ ভারসাম্যপূর্ণ দল গড়েছে মোনার্ক।

রূপায়ন সিটি কুমিল্লায় অবশ্য বিশ্বকাপে খেলা খেলোয়াড় নেই। তবে তাদের ভারতীয় ফরোয়ার্ড প্রদীপ মোরে ২০১৬ রিও অলিম্পিকে খেলেছেন। এ ছাড়া ওয়ার্ল্ড হকি লিগে খেলেছেন প্রদীপ। কুমিল্লার আরেক বিদেশি ডিফেন্ডার দক্ষিণ কোরিয়ার কিং সুং ইয়ুব। তবে এই বিদেশিরা নন, ম্যাচে জ্বলে ওঠেন স্থানীয়রাই।

ম্যাচের ৩ মিনিটেই প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে নেন সাইদুর। অবশ্য প্রথম গোল খেয়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছে মোনার্ক পদ্মা। ৬ মিনিটের মাথায় টানা চারবার পেনাল্টি কর্নার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি তারা। এরপর ৭ মিনিটে সোহানুর রহমানের দুর্দান্ত এক রিভার্স হিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে কুমিল্লা। ২৩ মিনিটে পুস্কর খীসা করেন ৩-০।

খেলা শেষ হওয়ার মিনিট চারেক আগে পরপর দুই গোল করে ম্যাচ জমিয়ে তোলে মোনার্ক পদ্মা। ৫৬ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে জাপানের মিয়া তানিমিতসু করেন ৩-১। পরের মিনিটেই ৩-২ করেন উহিয়ং সিও। ৫৮ মিনিটে অবশ্য দুটি পেনাল্টি কর্নার পেয়েছিল রূপায়ন সিটি কুমিল্লা। কিন্তু সুযোগ পেয়েও কোনো গোল করতে পারেনি কুমিল্লার খেলোয়াড়েরা।