হকি দলের জার্মানি সফর অনিশ্চিত, বিকল্প ভাবনায় চীন-মিশর

এশিয়ান গেমসে খেলার যোগ্যতা অর্জনের পর বাংলাদেশ হকি দলএশিয়ান হকি ফেডারেশন

আগামী মাসে জাপানে শুরু হতে যাওয়া এশিয়ান গেমসের আগে বাংলাদেশ হকি দল শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে—জার্মানি, চীন নাকি মিসর?

বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের মূল লক্ষ্য ছিল জার্মান কোচ পিটার গেরহার্ডের অধীন জার্মানিতেই দল পাঠানো। দিন তিনেক আগে ভিসার আবেদন করা হয়েছে। ২০ জন খেলোয়াড়ের সঙ্গে আছেন ৩ কর্মকর্তা।

এখন কোন দেশ দ্রুত ভিসা অনুমোদন করে, তার ওপরই নির্ভর করছে জাতীয় হকি দলের চূড়ান্ত গন্তব্য। তবে ভিসা কবে মিলবে, ফেডারেশন এখনো জানে না। ফলে বিকল্প হিসেবে চীন বা মিসরে দল পাঠানোর পরিকল্পনাও রয়েছে ফেডারেশনের।

পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৯-২০ আগস্টের মধ্যে দল নিয়ে জার্মানি যাওয়ার কথা ছিল। সেখানে কয়েকটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার কথা ছিল আশরাফুল ইসলামদের।

বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক আরিফুল হক (প্রিন্স) আজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘জার্মানির ভিসার ব্যাপারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেও রিকোয়েস্ট লেটার পাঠানো হয়েছে। আজকের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া পেলে এবং দু-তিন দিনের মধ্যে ভিসা দিলে আমরা জার্মানি যাব।’

জার্মানির ভিসা পেতে দেরি হলে বিকল্প ‘প্ল্যান বি’ কার্যকর করা হবে বলে জানান আরিফুল, ‘ভিসার প্রক্রিয়ায় যদি এক সপ্তাহ বা ১০ দিন লেগে যায়, তবে আর জার্মানির অপেক্ষায় থাকা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে দ্রুততম সময়ে যেখানে যাওয়া যাবে, সেখানেই দল যাবে। চীনে ৬ থেকে ৮টি ম্যাচ খেলার বিষয়ে কথা চলছে। তারা রাজিও। চীন বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকায় আছে এবং এশিয়ান গেমসে আমাদের গ্রুপে নেই। দু-এক দিনের মধ্যে দেশে ফিরে চূড়ান্ত সংকেত দিলে বিষয়টি চূড়ান্ত হতে পারে। এ ছাড়া বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের ১৫ নম্বরে থাকা মিসরের সঙ্গেও যোগাযোগ চলছে।’

আরও পড়ুন

এশিয়ান গেমসের আগে অন্তত দুই সপ্তাহ হাতে রেখে ৬ থেকে ৮টি ভালো প্রস্তুতি ম্যাচ খেলা জরুরি মনে করছে ফেডারেশন। আরিফুল জোর দিয়ে বলেন, ‘আমরা যেকোনো মূল্যে ২৫ আগস্টের মধ্যে দেশ ছাড়তে চাই, যেন ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফিরতে পারি। এশিয়ান গেমসে আমাদের গ্রুপে ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও শ্রীলঙ্কার মতো দল রয়েছে। প্রস্তুতি ম্যাচ না খেলে এমন ইভেন্টে নামা কঠিন। তাই ম্যাচ খেলতেই হবে, সেটা জার্মানি, চীন বা মিসর যেখানেই হোক।’

আরও পড়ুন