সব সামলাতে না পেরে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন হাডসন–স্মিথ। ইউজিনে পদক জয়ের পর ২৭ বছর বয়সী এই অ্যাথলেট বলেছেন, ‘২০২১ সালে আমার অনেক মানসিক সমস্যা ছিল। অনেকেই এটা জানেন না যে আমি আক্ষরিক অর্থেই আত্মহত্যার চেষ্টা করেছি।’

সেই সময় চোট নিয়েও ট্র্যাকে নেমেছেন হাডসন–স্মিথ। চোট নিয়ে দৌড়ানো কতটা কঠিন, সেটা একজন অ্যাথলেট ছাড়া অন্য কারও পক্ষে বোঝা সহজ নয়। হাডসন–স্মিথ কেন সেই কাজটা করেছিলেন,

সেটার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেছেন, ‘আমি চোট নিয়ে দৌড়াচ্ছিলাম। শতভাগ ঠিক নেই জেনেও দৌড়াতে গিয়েছি। আপনি আঘাতপ্রাপ্ত জেনেও দৌড়ানোর জন্য লাইনে পা রাখার কথা কল্পনা করুন। আমার ওপর অনেক চাপ ছিল, কারণ আমাকে নিয়ে সবার অনেক প্রত্যাশা ছিল।’

টোকিও অলিম্পিকে দৌড়াতে পারেননি হাডসন–স্মিথ। হারাতে হয় পৃষ্ঠপোষকতা। এ জন্য ঋণগ্রস্তও হয়ে পড়েছিলেন তিনি। সেই সময়টার কথা মনে করে হাডসন–স্মিথ বলেছেন, ‘বিভিন্ন কারণে আমি অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করতে পারিনি। করোনার সময় আমেরিকায় আটকে গিয়েছিলাম। আমি আমেরিকাকে ভালোবাসি।

কিন্তু সেই সময়টায় আমি ইংল্যান্ডে পরিবারের সঙ্গে থাকতে চেয়েছিলাম। সময়টা খুব কঠিন ছিল। আমার মনে আছে, খেলা ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে তখন অনেকের সঙ্গে কথা বলেছি।’

default-image

কিন্তু মা ও কাছের কিছু মানুষের পরামর্শে লড়াইটা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন হাডসন–স্মিথ। আবার ফেরেন ট্র্যাকে। মানসিক এই লড়াই জয় করেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ৪০০ মিটারে সেরা হয়েছেন হাডসন–স্মিথ, ‘আমার মা এবং অন্যরা সাহস দিয়েছেন। এখন আমি ঋণ পরিশোধ করেছি। পিউমার পৃষ্ঠপোষকতা ফিরে পেয়েছি এবং পদকও জিতেছি। কিন্তু আমি যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গেছি, অন্য অনেকে এতে পাগল হয়ে যেত।’

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন