বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্বাগতিক হিসেবে প্রথমবারের মতো এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে প্রত্যাশা কী?

গোবিনাথান: বাংলাদেশ সবশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে ২০১৮ সালের এশিয়ান গেমসে। অর্থাৎ তিন বছরেরও বেশি সময় আন্তর্জাতিক ম্যাচের বাইরে আছি আমরা। এবার প্রতিপক্ষের দিকে তাকান। সবশেষ টোকিও অলিম্পিকে তৃতীয় হয়েছে ভারত। জাপানও খেলেছে দুর্দান্ত। এই টুর্নামেন্টের জন্য ইউরোপে অনুশীলন করছে মালয়েশিয়া। নিয়মিত আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলছে পাকিস্তান ও দক্ষিণ কোরিয়া। সবার প্রস্তুতি শেষ আর আমাদের প্রস্তুতি হবে শুরু। তাও আবার আমি মাত্র পাব দুই সপ্তাহ। আমার লক্ষ্য ভালো খেলা।

লিগে আর্জেন্টিনা, নেদারল্যান্ডস, ভারতের বেশ কয়েকজন বড় মাপের খেলোয়াড়েরা খেলছেন। জাতীয় দলের উপকৃত হওয়ার সুযোগ আছে?

গোবিনাথান: অবশ্যই। মোহামেডানে গঞ্জালো পেইলাত, হোয়াকিম মেনিনি ও সুনীল আছেন। আবাহনীতে আছেন নেদারল্যান্ডস জাতীয় দলের খেলোয়াড়। মেরিনার্সেও আছেন বেশ কয়েকজন। তাঁদের জন্য শুধু লিগের মানই বাড়েনি, তাঁদের কাছে থেকে আমাদের খেলোয়াড়েরাও অনেক কিছু শিখতে পারবে। পেইলাত বিশ্বের অন্যতম সেরা পেনাল্টি কর্নার বিশেষজ্ঞ। তিনি কীভাবে ড্রাগ-ফ্লিক মারেন, সেটি তরুণেরা দেখবে। তাঁরা কীভাবে বল রিসিভ করে পাস দেন, সেগুলো দেখে শিখবে। জাতীয় দলের উপকারটা হলো খেলোয়াড়েরা ভালো খেলোয়াড়দের সঙ্গে ও বিপক্ষে খেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক মেজাজে থাকবে।

default-image

২৭ নভেম্বর শেষ হবে প্রিমিয়ার লিগ। এর আগে অনুষ্ঠিত হয়েছে স্বাধীনতা কাপ। সব মিলিয়ে প্রায় দেড় মাসের মধ্যে বেশির ভাগ খেলোয়াড়েরা ম্যাচ খেলবেন ২০টি করে। এটা তো খেলোয়াড়দের জন্য বড় ধকল!

গোবিনাথান: অবশ্যই খেলোয়াড়দের জন্য এটা অনেক ধকলের কাজ। সত্যি কথা বলতে, অনুশীলনের বড় একটা অংশজুড়েই রাখতে হবে খেলোয়াড়দের ক্লান্তি দূর করা। প্রতিপক্ষরা অনেক শক্তিশালী। আমি সেই খেলোয়াড়দেরই নিতে চাই, যারা মাঠে পরিশ্রম করতে পারবে। দৌড়, দৌড় ও দৌড়াতে পারবে। প্রতিপক্ষকে ঠেকানোই হবে আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ।

বিকেএসপির হকি নিয়ে কিছু বলুন। শুধু বিকেএসপি দিয়ে দেশের হকির উন্নয়ন সম্ভব?

গোবিনাথান: বর্তমান ছাত্রদের মধ্যে থেকে ৩০ জন বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে খেলছে। প্রতিষ্ঠানের মূল দলে জ্যেষ্ঠ ছাত্ররা যেন আরামে খেলতে না পারে, সে প্রতিযোগিতা তৈরি করেছি। একাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রের থেকে যদি নবম শ্রেণিতে কেউ ভালো থাকে, সে-ই দলে সুযোগ পাবে। বাংলাদেশের হকিতে বিকেএসপির খেলোয়াড়েরাই সব। হকির উন্নয়নে শিক্ষা ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে সঙ্গে নিতে পারে ফেডারেশন। একজন পরিকল্পনা দেবে, একজন দেবে অর্থ ও আরেকজন সরবরাহ করবে খেলোয়াড়। স্কুল পর্যায়ে টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পারলেই ভালো একটা জায়গায় যাওয়া সম্ভব। এবার লিগের জন্য প্রধানমন্ত্রী এক কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন। শুনেছি উনি খুব ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ। এই দেশের হকির তো পিছিয়ে থাকার কথা নয়।

সাক্ষাৎকার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন