default-image

আর বাধা ছিল না বলেই ইতিহাস হলো। কাজাখস্তানের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে গ্র্যান্ড স্লাম এককে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ইতিহাসে নাম লিখিয়ে ফেললেন রিবাকিনা। আজ অল ইংল্যান্ড ক্লাবে ফাইনালে ২৩ বছর বয়সী রিবাকিনা হারালেন তাঁরই মতো ইতিহাস গড়তে নামা তিউনিসিয়ার উনস জাবিরকে। যদিও টুর্নামেন্ট জুড়েই রিবাকিনাকে উত্তর দিতে হয়েছে এই প্রশ্নের—নিজেকে তিনি কী মনে করেন, রাশিয়ান না কাজাখস্তানি?

১৯৬২ সালের পর প্রথমবার দুই নতুনকে ফাইনালে দেখেছে মেয়েদের গ্র্যান্ড স্লাম টেনিস। সেই ফাইনালে পরিষ্কার ফেবারিট ছিলেন জাবিরই। র‍্যাঙ্কিং আর খেলার ধরন মিলিয়েই ফেবারিট ছিলেন প্রথম আরব হিসেবে একের পর এক রেকর্ড গড়ে ফাইনালে ওঠা জাবির। কেন তাঁকে ফেবারিট বলা হচ্ছে, সেটি ফাইনালের প্রথম সেটটি ৬–৩ গেমে জিতে প্রমাণ দিয়েছেন বিশ্বের দুই নম্বর নারী খেলোয়াড় জাবির।

default-image

তবে সবকিছু বদলে গেল দ্বিতীয় সেট থেকেই। দুর্দান্তভাবে ফিরে এলেন র‍্যাঙ্কিংয়ে জাবিরের চেয়ে ২১ ধাপ পেছনে থাকা রিবাকিনা। পরের দুই সেট ৬–২, ৬–২ গেমে জিতে নিজেই হয়ে গেলেন ইতিহাস। ১৯৭৫ সালে ডব্লুটিএ র‍্যাঙ্কিংয়ের প্রচলন হওয়ার পর র‍্যাঙ্কিংয়ে তাঁর চেয়ে পিছিয়ে থাকা মাত্র একজনই চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন উইম্বলডনে। ২০০৭ সালে ভেনাস উইলিয়ামস যখন চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন, তখন তিনি মেয়েদের টেনিসে ৩১ নম্বর খেলোয়াড়।

ইতিহাস গড়ার ক্ষণে অবশ্য বাবা–মাকে কাছে পাননি রিবাকিনা। তাঁরা ছিলেন রাশিয়াতেই। তবে অতিথিদের বক্স থেকে রিবাকিনাকে সমর্থন জুগিয়ে গেছেন তাঁর বোন।

টেনিস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন