বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও একটা দারুণ তথ্য জানিয়ে দেওয়া যায়। এ শতকে এই প্রথম ইউএস ওপেনে মেয়েদের ফাইনালে এত অল্প বয়সী দুই খেলোয়াড় মুখোমুখি হচ্ছেন। ১৯৯৯ সালে শেষবার টিনএজ বয়সে মেয়েদের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিলেন দুই ‘অষ্টাদশী’ সেরেনা উইলিয়ামস ও সুইজারল্যান্ডের মার্টিনা হিঙ্গিস। এবার এমা রাডুকানু বা লেইলা ফার্নান্দেজদের মধ্যকার কেউ কি ভবিষ্যতের সেরেনা কিংবা হিঙ্গিস হতে পারবেন—এটি অবশ্য সময়ই বলে দেবে।

আপাতত ভবিষ্যতের কথা একদিকে সরিয়ে রেখে ফাইনালে মনোযোগ দেওয়া যেতে পারে। রাডুকানু আর লেইলাও সেটিই করছেন। রাডুকানু মারিয়া সাকারিকে ৬-১ ও ৬-৪ ব্যবধানে উড়িয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি ব্রিটেনের কনিষ্ঠতম টেনিস তারকা হিসেবে ফাইনালে উঠেছেন।

default-image

অন্যদিকে, লেইলা ফার্নান্দেজ ফাইনালে উঠেছেন মোটামুটি কঠিন একটা লড়াই লড়ে। দ্বিতীয় বাছাই সাবালেঙ্কাকে হারিয়েছেন তিনি। বেলারুশের এ তারকা এগিয়ে থাকলেও হেরেছেন লেইলার কঠিন মানসিকতার কাছে। একচুলও জমি ছাড়েননি তিনি। জিতেছেন ৭-৬ (৩), ৪-৬, ৬-৪ ব্যবধানে।

উইম্বলডনে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচ ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন রাডুকানু। তবে ব্যাপারটিকে অনেকেই সহানুভূতির দৃষ্টিতে দেখেননি। বিস্তর সমালোচনাও হয়েছিল। মানসিকভাবে দুর্বল বলে রাডুকানুকে কটাক্ষ করা হয়েছিল। ইউএস ওপেনে তিনি ফাইনালে পৌঁছেছেন এখন পর্যন্ত কোনো সেট না খুইয়ে। কোয়ালিফায়ার খেলেই এসেছিলেন তিনি। আর ফাইনালে পৌঁছালেন এমন রাজকীয় ভঙ্গিতেই।

মেয়েদের এ ফাইনালে দুই ‘অখ্যাত’ মাঠে নামলেও ভবিষ্যতের অনেক কিছুরই ইঙ্গিত থাকছে এতে।

টেনিস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন