দেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ মেসেঞ্জার

দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেঞ্জার অ্যাপ। ছবি: সিমিলারওয়েব
দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেঞ্জার অ্যাপ। ছবি: সিমিলারওয়েব

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশনগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে ফেসবুকের মেসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশনটি। যুক্তরাজ্যভিত্তিক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সিমিলারওয়েব গত বুধবার জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশনগুলো নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি ম্যাপে বাংলাদেশে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে মেসেঞ্জারকে প্রদর্শন করছে।
বাংলাদেশে মেসেঞ্জার জনপ্রিয় হলেও বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে শীর্ষে চলে এসেছে হোয়াটসঅ্যাপ। বিশ্বের ১০৯টি দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে এই অ্যাপটি। অর্থাৎ বিশ্বের ৫৫ দশমিক ৬ শতাংশ অঞ্চলে এই অ্যাপটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
হোয়াটসঅ্যাপ যেসব দেশে শীর্ষে রয়েছে তার মধ্যে রয়েছে ভারত, ব্রাজিল, মেক্সিকো, রাশিয়াসহ দক্ষিণ আমেরিকা, ইউরোপ, আফ্রিকা ও ওশেনিয়ার কিছু দেশ। বর্তমানে ১০০ কোটির বেশি ব্যবহারকারী হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করছেন। শুধু ভারতে ৭ কোটি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী রয়েছেন। সিমিলারওয়েব ১৮৭টি দেশে এ পরীক্ষা চালিয়েছে।
সিমিলারওয়েবের তালিকায়, জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মেসেঞ্জার। অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রসহ ৪৯টি দেশে মেসেঞ্জার ব্যবহৃত হচ্ছে। মেসেঞ্জারের পরে রয়েছে ভাইবার। হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারের বাইরে ১০ বা এর অধিক দেশে ব্যবহৃত একমাত্র মেসেঞ্জার হচ্ছে ভাইবার।
পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে এর ব্যবহার বেশি। বেলারুশ, ইউক্রেনে এটি বেশি ব্যবহৃত হয়। ২০১৬ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী, ইউক্রেনে ৬৫ শতাংশ অ্যান্ড্রয়েড–চালিত যন্ত্রে ভাইবার ব্যবহৃত হচ্ছে। লাইন, উইচ্যাট, টেলিগ্রাম চীন, ইরান, জাপানসহ কয়েকটি দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্ল্যাকবেরির বিবিএম এখনো ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশে বহুল ব্যবহৃত অ্যাপ।