মেডিকেল রস

.
.

lজ্বর হয়েছে বলে এক মেয়ে গেল ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার বললেন, ‘তোমার ডেঙ্গু হয়েছে।’
মেয়েটি বলল, ‘না, ডাক্তার সাহেব, ডেঙ্গু হবে কীভাবে! জ্বর হওয়ার পর এতই কাঁপছি যে মশার পক্ষে কামড় দেওয়ার সুযোগই পাওয়ার কথা না।’

l সেদিন মেডিকেলে ডিউটি করার সময় এক ইন্টার্নকে তার সিএ জিজ্ঞেস করলেন, ‘কটা বাজে দেখ তো?’
ইন্টার্ন বললেন, ‘ঘড়ি নষ্ট, ভাই।’
সিএ তার হাতঘড়ির দিকে ভালো করে খেয়াল করে বললেন, ‘কই, ঘড়ি তো চলে দেখি!’
: শুধু সেকেন্ডের কাঁটা চলে, ঘণ্টা-মিনিটের কাঁটা চলে না, নষ্ট।
: ঘণ্টা-মিনিটের কাঁটা নষ্ট হলে এই ঘড়ি পড়ো কেন?
: রোগীর পাল্‌স দেখি।
l মানসিক ডাক্তারের কাছে গেল মেডিকেলের ছাত্র জামান। বলল, ‘স্যার, নিজেকে যখন আয়নায় দেখি, তখন ভীষণ মেজাজ খারাপ হয়! মনে হয়, আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না। আমি একটা অপদার্থ!’
ডাক্তার ওই ছাত্রের ওপর আগে থেকেই একটু রেগে ছিলেন। সেই ক্ষোভ থেকেই বললেন, ‘বাহ্‌, তোমার রোগ নির্ণয়ের ক্ষমতা তো পারফেক্ট।’
ছাত্রটি খুশিতে আটখান। মনে মনে ভাবল, ‘যাক, তাহলে তো আমি ডাক্তার হিসেবে খুব ভালো হব!’

l ডাক্তার ফুয়াদ বললেন, ‘আপনার তো ওজন কমানো খুব জরুরি। আপনার উচিত ট্রেডমিলে অ্যাটলিস্ট এক ঘণ্টা কাটানো।’

রোগী বললেন, ‘ট্রেডমিলে এক ঘণ্টা বসে কাটালেও হবে?’

l মেডিকেলের প্রথম বর্ষের ছাত্র রবিনকে তার বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া বন্ধু জাকি বলল, ‘দোস্ত, দীর্ঘ জীবন পাওয়া যাবে, এমন কোনো ওষুধ আছে?’

রবিন বলল, ‘তুই এক কাজ কর। সেকেন্ড টাইম সুযোগ আছে, তুই বরং বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার চেষ্টা কর।’

: তাহলে কি আমি দীর্ঘ জীবনের ওষুধ পেয়ে যাব?

: না, দীর্ঘ জীবন বেঁচে থাকার ইচ্ছেটাই মরে যাবে।