
যন্ত্রসঙ্গী হিসেবে এখন ট্যাবলেট কম্পিউটার জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। মুঠোফোন বা স্মার্টফোনের পাশাপাশি অনেকের সঙ্গেই থাকে ট্যাবলেট। বিভিন্ন আকারের ট্যাবলেটে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ই-মেইল যোগাযোগ, সামাজিক যোগাযোগের সাইট ব্যবহার, চ্যাট করাসহ অনেক কাজই করা যায়। শুধু কি তা-ই? অফিসের জরুরি অনেক কাজই করতে পারেন ট্যাবলেটে। যাঁরা আঁকাআঁকি করেন, তাঁদেরও নানা সুবিধা ট্যাবলেটে পাওয়া যায়। এসবের পাশাপাশি গেম খেলা, গান শোনা, ভিডিও দেখা তো আছেই। ধীরে ধীরে ল্যাপটপের বিকল্প হয়ে যাচ্ছে ট্যাবলেট। যেহেতু নিয়মিতই ব্যবহার করা হয়, তাই ট্যাবলেটের যত্নআত্তির বিষয়টি দেখা জরুরি। এ নিয়ে রায়ানস কম্পিউটারের মহাব্যবস্থাপক আরিফুজ্জামান দিয়েছেন কিছু জরুরি পরামর্শ—
ট্যাবলেটের জন্য একটি কভার বা খাপ লাগিয়ে নেওয়া ভালো। বাজারে বিভিন্ন ধরনের কভার পাওয়া যায়। পছন্দসই একটি কভার কিনে নিতে পারেন।
অনেকেই ট্যাবলেটের কি-বোর্ডে লিখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। এ ক্ষেত্রে ট্যাবলেটে জুড়ে নেওয়া যায়, এমন কি-বোর্ড বাজার থেকে কিনে নিতে পারেন।
ট্যাবলেট সচল রাখতে চার্জের বিষয়টির দিকেও নজর রাখতে হবে। চার্জ পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই আবার চার্জ দিন। পুরোপুরি চার্জ শেষ না হলে চার্জার বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে খুলে নেবেন না।
চার্জ ধরে রাখতে ট্যাবলেটের ওয়াই-ফাই বন্ধ রাখতে পারেন। স্মার্টফোনের মতো এতেও দ্রুত চার্জ ফুরিয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে চার্জ কিছুটা ধরে রাখার অ্যাপস ব্যবহার করতে পারেন।
চাইলে পর্দার ঔজ্জ্বল্য কমিয়ে রাখতে পারেন। এতে চার্জ বাঁচবে। পর্দা সুরক্ষায় ব্যবহার করতে পারেন ‘স্ক্রিন প্রটেক্টর’।
পানি থেকে ট্যাবলেট সাবধানে রাখতে হবে। যদি হঠাৎ করে পানিতে পড়ে যায়, যত দ্রুত পানি টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে সার্ভিস সেন্টারে যেতে হবে।
ট্যাবলেট টানা অনেকক্ষণ ব্যবহার করলে গরম হয়ে যেতে পারে। এমন হলে ট্যাবলেটে কিছু সময় ইন্টারনেট ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস মুছে ফেলুন।
ট্যাবলেটের অভ্যন্তরীণ মেমোরি কম হলে বেশি অ্যাপস ব্যবহার করা ঠিক হবে না। আপনি যে অ্যাপসই ডাউনলোড করে ইনস্টল করেন, তার একটি অংশ অভ্যন্তরীণ মেমোরিতেও যুক্ত হয়।
চাইলে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন।
কম্পিউটারের সঙ্গে ট্যাবলেট সংযোগ দিয়ে ছবি, ফাইল কিংবা অন্য কিছু ব্যবহার করতে চাইলে সাবধানে করুন, যাতে ভাইরাসের আক্রমণ না হতে পারে।
সবচেয়ে ভালো হয়, আপনার কাজগুলো ক্লাউড সেবা ব্যবহার করে করা। যেমন গুগল ড্রাইভ, স্কাই ড্রাইভ, ড্রপ বক্স, কপি ইত্যাদি। কাজ শেষ করে এসব ক্লাউড সেবায় আপনার ফাইলটি রেখে দিন। পরবর্তী সময়ে ট্যাবলেটে ইন্টারনেট সংযোগের সাহায্যে সিংক্রোনাইজ করে কাজটি ব্যবহার করতে পারবেন।
বাজারে বিভিন্ন ধরনের বহনযোগ্য বা পোর্টেবল চার্জার পাওয়া যায়। চার্জ দেওয়ার জন্য এসব চার্জার বেশ উপযোগী। আপনার ট্যাবলেটের জন্য এমন একটি চার্জার ব্যবহার করতে পারেন।