কী থাকছে আয়োজনে

আইসিপিসির ৪৫তম এ আসরে ৭০টির বেশি দেশ থেকে ১৩৭টি দল অংশ নেবে। প্রতি দলে তিনজন প্রতিযোগী এবং একজন কোচ থাকবেন। আইসিপিসি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা, আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার পরিচালক (আরসিডি), প্রতিযোগী ও কোচ মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ বিদেশি অতিথি আসছেন এই আয়োজনে।

আইসিপিসির সচিব মো. নূরুজ্জামান নাদিম জানান, গত ৩০ অক্টোবর থেকেই বিদেশি অতিথিরা বাংলাদেশে আসতে শুরু করেছেন। আইসিপিসি ফাউন্ডেশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ৬ থেকে ১১ নভেম্বর বিভিন্ন আয়োজন করা হবে। ৭ নভেম্বর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মহড়ার পাশাপাশি দলগুলোর নিবন্ধন সম্পন্ন করে কনসার্ট আয়োজন করা হবে। ৮ নভেম্বর হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। ৯ নভেম্বর হবে মহড়া। ১০ নভেম্বর মূল প্রতিযোগিতা। একই দিন ফলাফল ঘোষণা ও পুরস্কার দেওয়া হবে। 

প্রতিযোগিতা যেভাবে হবে

রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারের ৪ নম্বর হলে বেলা ১১টায় প্রতিযোগিতা শুরু হবে। পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন প্রশ্ন বা সমস্যার সমাধান করতে হবে অংশগ্রহণকারীদের। প্রশ্ন তৈরির পাশাপাশি পরীক্ষা পরিচালনা করবেন আইসিপিসির বিচারক পর্ষদ। পুরো প্রতিযোগিতা হবে ইন্টারনেটযুক্ত কম্পিউটারে। সবচেয়ে বেশি সমস্যা সমাধান করা দলকে ওয়ার্ল্ড ফাইনাল বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। পুরস্কার হিসেবে বিজয়ী দল পাবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি, সনদ এবং ১৫ হাজার ডলার। অঞ্চলভিত্তিক সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া ১২টি দলকে বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হবে। সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া চারটি দলকে স্বর্ণপদক  দেওয়া হবে। পঞ্চম থেকে অষ্টম স্থানের জন্য রৌপ্য এবং নবম থেকে দ্বাদশ স্থানের জন্য আছে ব্রোঞ্জ পদক।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। বিশেষ অতিথি থাকবেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ। সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের পুরস্কার দেবেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।