হোয়াটসঅ্যাপে কোন বার্তা ফরোয়ার্ড করলে অন্য ব্যবহারকারীদের সতর্ক করা হয়

হোয়াটসঅ্যাপফাইল ছবি: রয়টার্স

ব্যক্তিগত বা কাজের প্রয়োজনে নিয়মিত হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা আদান-প্রদান করেন অনেকেই। কেউ আবার অন্যদের পাঠানো বার্তা পরিচিতজনদের কাছে ফরোয়ার্ড করেন। বার্তা শেয়ারের এ পদ্ধতি বেশ কার্যকর হলেও একই বার্তা বেশি মানুষের কাছে ফরোয়ার্ড করা হলে নানা ধরনের ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এ সমস্যা সমাধানে অন্যদের লেখা বার্তা শেয়ারের সময় মাঝেমধ্যে বার্তার ওপর ‘ফরোয়ার্ডেড’ বা ‘ফরোয়ার্ডেড মেনি টাইমস’ চিহ্ন যুক্ত করে ব্যবহারকারীদের সতর্ক করে থাকে হোয়াটসঅ্যাপ।

হোয়াটসঅ্যাপের তথ্যমতে, বার্তার ওপরে যুক্ত করা ‘ফরোয়ার্ডেড’ বা ‘ফরোয়ার্ডেড মেনি টাইমস’ চিহ্নের মাধ্যমে বোঝানো হয় যে বার্তাটি মূল প্রেরকের কাছ থেকে সরাসরি আসেনি। এক বা একাধিকবার অন্য ব্যবহারকারীর মাধ্যমে শেয়ার করা হয়েছে। ফলে বার্তাটি আবার শেয়ার করার আগে তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের সুযোগ পান ব্যবহারকারীরা।

হোয়াটসঅ্যাপে একটি বার্তা একসঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচ ব্যক্তি বা গ্রুপের কাছে ফরোয়ার্ড করা যায়। তবে কোনো বার্তা আগে অনেকবার ফরোয়ার্ড করা হয়ে থাকলে সেটি আবার শেয়ার করার সময় অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে থাকে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ।

হোয়াটসঅ্যাপের তথ্যমতে, কোনো বার্তা প্রথমবার পাঠানোর পর অন্তত পাঁচবার ফরোয়ার্ড করা হলে তার সঙ্গে ‘ফরোয়ার্ডেড মেনি টাইমস’ চিহ্ন যুক্ত হয়। এ সময় বার্তার পাশে দুটি তির চিহ্নও দেখানো হয়। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের জানিয়ে দেওয়া হয় যে বার্তাটি ইতিমধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। হোয়াটসঅ্যাপের এ নিরাপত্তাব্যবস্থা স্প্যাম ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার কমাতে সাহায্য করে এবং ব্যবহারকারীদের আরও সতর্কতার সঙ্গে তথ্য শেয়ার করতে উৎসাহিত করে।

মেটা এআই কি ফরোয়ার্ড করা বার্তা দেখতে পারে

ব্যবহারকারীরা চাইলে কোনো ফরোয়ার্ড করা বার্তা মেটা এআইয়ের কাছে পাঠিয়ে সেটি সম্পর্কে প্রশ্ন করতে বা অতিরিক্ত তথ্য জানতে পারেন। সে ক্ষেত্রে মেটা এআই কেবল ব্যবহারকারী যে বার্তা সরাসরি শেয়ার করবেন, সেটিই শুধু দেখতে পারবে। ব্যক্তিগত চ্যাটে আদান-প্রদান করা অন্য কোনো বার্তা মেটা এআই, মেটা বা হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষে দেখা সম্ভব নয়। কারণ এসব বার্তা এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনের মাধ্যমে সুরক্ষিত থাকে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া