দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসের উদ্যোগে আয়োজিত এ রোড শোতে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ। তিনি বলেন, ‘ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়নে কোরিয়া যুগান্তকারী ভূমিকা রাখছে। ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে। এই রোড শো নতুন উদ্যোক্তাদের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে। এ জন্য শিক্ষার্থীসহ তরুণদের ড্রোন প্রযুক্তি বিষয়ে শিখতে হবে।’

বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জ্যাং গুন জানান, বিশ্বে ড্রোন প্রযুক্তির মার্কেট খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশ-কোরিয়া যৌথভাবে ড্রোন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে পারে। বাংলাদেশের ড্রোন প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, সফটওয়্যার, সেন্সরসহ বিভিন্ন খাতে ড্রোনের ব্যবহার বাংলাদেশের উদ্ভাবনী প্রবৃদ্ধিকে সহায়তা করবে। কোরিয়া-বাংলাদেশ অংশীদারত্বের ভিত্তিতে এ প্রযুক্তি উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ড্রোন প্রযুক্তির গুরুত্ব ও বিভিন্ন কাজে ড্রোন ব্যবহারের উপকারিতা সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকার ও ব্যবসায়ীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই এ উদ্যোগ। ড্রোনের মাধ্যমে বনের সঠিক পরিসংখ্যান নির্ধারণ করা যায়। ফলে বাংলাদেশের বন, বিশেষ করে সুন্দরবন পর্যবেক্ষণের জন্য ড্রোন ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ড্রোনের মাধ্যমে সহজেই দুর্গত এলাকার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়। ড্রোন ব্যবহার করে শহরের মানচিত্র, জমির সঠিক ব্যবহার এবং কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য ড্রোন ব্যবহারের সঠিক নীতিমালা করতে হবে এবং ভালো মানের ড্রোন ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে কোরিয়ার ছয়টি প্রতিষ্ঠান নিজেদের তৈরি ড্রোন ও জিআইএস-বিষয়ক পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করে।