* সময়ের ব্যবধান। কারণ, বাংলাদেশের বেশির ভাগ ফ্রিল্যান্সারই যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় সময় ধরে কাজ করে থাকেন। যদি অস্ট্রেলিয়ার কোনো কাজ পান, তবে অস্ট্রেলীয় সময় ধরে কাজ করতে গিয়ে তাঁদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

* নতুনদের দক্ষতা থাকার পরও বেশির ভাগ সময় কোন কাজের কতটুকু সম্মানী হওয়া উচিত, তা বোঝেন না। তাই নবীনেরা বিডিং চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হন।

* ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আউটসোর্সিংয়ের কাজ পাওয়ার ওয়েবসাইটে (মার্কটপ্লেস) একটি কাজের জন্য আবেদন করতে সুন্দর একটি কভার লেটার লিখতে হয়। নতুনদের মধ্যে অনেকেই কভার লেটার লেখার নিয়ম জানেন না। ফলে তা আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে না।

* নতুনদের অনেকের যোগাযোগ এবং ভাষাগত দক্ষতা সেভাবে না থাকলে তাঁরা সাহস নিয়ে এগিয়ে যেতে পারেন না। আমরা জানি, ইংরেজি আমাদের মাতৃভাষা নয়। তাই ইংরেজিতে দক্ষ না হলে পিছিয়ে পড়তে হয়।

* মার্কেটপ্লেসে যেকোনো সময়ই কাজের সংকট তৈরি হতে পারে, তাই একটি বিষয়ে দক্ষতার পাশাপাশি অন্য বিষয়েও কীভাবে দক্ষ হওয়া যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

* নবীনদের অনেকেই শুরুতে কিছু টাকা আয় করার পর দায়িত্বে অবহেলা করেন। কাজেও গরিমসিভাব দেখা যায়। এগুলো তাঁদের পেছন থেকে টেনে ধরে।

বাংলাদেশে এখনো ঢাকা বা বিভাগীয় শহরগুলো ছাড়া অন্যান্য জায়গায় ইন্টারনেটের গতি ধীর। এই ধীরগতির ইন্টারনেটের জন্য কাজে ব্যাঘাত ঘটে। এ জন্য নবীনেরা ভুক্তভোগী বেশি হন।

লেখক: ফ্রিল্যান্সার