অনুশীলন দ্বিতীয় সারি থেকে শুরু করতে হবে। এ জন্য আপনার বাঁ হাতের কনিষ্ঠ আঙুল দ্বিতীয় সারির এ (A)-এর ওপর, অনামিকা এস (S)-এর ওপর, মধ্যমা ডি (D)-এর ওপর, তর্জনী এফ (F)-এর ওপর রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, তর্জনী দিয়ে জি (G) অক্ষরও টাইপ করতে হবে। এরপর ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙুল সেমিকোলনের (;) ওপর, অনামিকা এল (L)-এর ওপর, মধ্যমা কে (K)-এর ওপর, তর্জনী জে (J)-এর ওপর। এখানেও তর্জনী দিয়ে এইচ (H) অক্ষর টাইপ করতে হবে। আঙুলগুলো কি-বোর্ডের অক্ষরগুলোর ওপর রেখে (asdfg;lkjh) টাইপ করতে হবে।

অনুশীলনের সময় মনে রাখতে হবে, বাঁয়ে কোনো অক্ষর টাইপ করার পর স্পেস চাপতে হলে ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি ব্যবহার করতে হবে। ঠিক একইভাবে ডানে কোনো অক্ষর টাইপ করার পর বাঁ পাশের বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে স্পেস চাপতে হবে। ওপরের অক্ষরগুলো দ্রুত লিখতে পারলে বারবার স্পেস ব্যবহার করে (a s d f g; l k j h) টাইপ করতে হবে। একই সঙ্গে শিফট অক্ষর ব্যবহারের জন্য (A S D F G: L K J H) লেখাগুলো অনুশীলন করতে হবে। ছোট–বড় অক্ষর টাইপ করার সময় বাঁয়ের কোনো শব্দ বড় অক্ষরে (ক্যাপিটাল ওয়ার্ড) লিখতে হলে তখন ডান পাশের শিফট চাপতে হবে। ঠিক একইভাবে ডানে বড় অক্ষর লেখার জন্য বাঁ পাশের শিফট নির্বাচন করতে হবে। এবার কিউ অক্ষর থেকে (qwertpoiuy), এ থেকে (asdfglkjh) এবং জেড থেকে (zxcvmnb) লিখতে হবে। এরপর নিচের দিক থেকে অক্ষরগুলো পুনরায় লিখতে হবে। এভাবে বারবার অনুশীলন করলে কি-বোর্ডের সব অক্ষরের ওপর আপনার আঙুল সমানভাবে কাজ করবে। এরপর বিভিন্ন অক্ষর লেখার পর স্পেস বা শিফট বাটন ব্যবহার করে অনুশীলন করতে হবে।

অনুশীলনের সময় কি-বোর্ডের দিকে তাকিয়ে লিখলেও ধীরে ধীরে তাকানো বন্ধ করে দিতে হবে। অর্থাৎ মনিটরের দিকে তাকিয়ে লিখতে হবে এবং ভুল হলে সংশোধন করতে হবে। এভাবে লেখায় দক্ষতা অর্জনের পর যেকোনো বইয়ের লেখা দেখে দ্রুত টাইপ করতে হবে। এরপর ধীরে ধীরে চেষ্টা করুন মনিটরের দিকে না তাকিয়ে টাইপ করতে। এভাবে অনুশীলন করলে আপনার টাইপের গতি বাড়তে থাকবে।