অপর দিকে সিএসএস হলো ওয়েব পেজের বিভিন্ন উপাদানের গঠন, আকার, আকৃতি, রং, অবস্থান, গতিশীলতা ইত্যাদি নির্ধারণ করার পদ্ধতি। অর্থাৎ একটি ওয়েব পেজের নকশা করার পাশাপাশি সেটি প্রদর্শনের উপযোগী করে তোলে সিএসএস।
একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি বুঝিয়ে বলা যাক। মনে করেন, আপনি একটি কম্পিউটার কিনবেন। এ জন্য প্রথমেই ভাবলেন, কম্পিউটার কেনার আগে টেবিল আর চেয়ারও কিনতে হবে। চেয়ার–টেবিল কেনার এই পরিকল্পনাকে এইচটিএমএলের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। অপর দিকে টেবিলে কম্পিউটার, মাউস, কি–বোর্ড বা সাউন্ড বক্স সুন্দর করে সাজিয়ে রাখার বিষয়টিই মূলত সিএসএস।

কীভাবে শুরু করবেন

ওয়েব ডিজাইন শেখার জন্য অনেকেই প্রশিক্ষণকেন্দ্রের খোঁজ করেন। তবে শুরুতেই কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন নেই। নিজে আগে বেসিক বিষয়গুলো আয়ত্ত করতে হবে। চাইলে গুগল এবং ইউটিউবের বিভিন্ন কনটেন্ট বা চ্যানেলের সাহায্য নিতে পারেন। w3schools.com ওয়েবসাইট থেকেও এইচটিএমএল ও সিএসএস সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পাওয়া যাবে।

এইচটিএমএলের বিভিন্ন ট্যাগের ব্যবহার এবং সিএসএসের ক্লাস ও আইডি সম্পর্কে দক্ষতা অর্জনের পর কারও সাহায্য ছাড়াই স্ট্যাটিক ওয়েব পেজ তৈরি করতে হবে। মনে রাখবেন, শুরুতে আপনার বিভিন্ন ধরনের ভুল হবেই। ভুলগুলো সমাধান করে বারবার চেষ্টা করলেই ধীরে ধীরে ভালো মানের ওয়েব পেজ তৈরি করা সম্ভব হবে।
লেখক: ফ্রিল্যান্সার