থ্রেডস রাজনীতি বা সংবাদের জন্য নয়, বললেন ইনস্টাগ্রামপ্রধান

প্রথম আলোকে নির্ভরযোগ্য সূত্র হিসেবে পেতে হলেএখানে ক্লিক করুন
ছবি: রয়টার্স

ইনস্টাগ্রামের নতুন অ্যাপ থ্রেডসে রাজনীতি বা নির্জলা সংবাদের (হার্ড নিউজ) মতো বিষয়গুলোকে উৎসাহিত করা হবে না বলে জানিয়েছেন ইনস্টাগ্রামপ্রধান অ্যাডাম মোসেরি।

রাজনীতি বা নির্জলা সংবাদের সঙ্গে বাড়তি যাচাই-বাছাই, নেতিবাচকতা এবং তথ্যের সত্যতার ঝুঁকি থাকে। ফলে এসব বিষয় দিয়ে থ্রেডসে ব্যবহারকারীকে যুক্ত করা হবে না। মোসেরি লিখেছেন, রাজনীতি বা সংবাদের বাইরেও খেলা, সংগীত, ফ্যাশন, রূপচর্চা, বিনোদন প্রভৃতি নিয়ে আলোচনার জায়গা রয়েছে। এসবের চর্চার মাধ্যমে থ্রেডস একটি প্রাণবন্ত মাধ্যম হতে পারে।

এদিকে সম্প্রতি মেটাও রাজনীতি বা সংবাদ–সংশ্লিষ্ট আধেয় থেকে দূরত্ব তৈরি করেছে। ফেসবুকে রাজনীতি–সংশ্লিষ্ট আধেয় প্রদর্শন কমানো হয়েছে। এমনকি গত বছর ফেসবুক ফিড থেকে ‘নিউজ’ বিভাগ তুলে নেওয়া হয়। এ ছাড়া সম্প্রতি কানাডায় নতুন আইনের ফলে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে সংবাদ লিংক প্রদর্শন সীমিত করেছে মেটা।

মোসেরি বলছেন, ‘টুইটারের জায়গা দখল করা আমাদের লক্ষ্য নয়। ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের জন্য আমরা একটি জনপরিসর তৈরি করতে চাই। ইনস্টাগ্রামের সঙ্গে টুইটারের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা নেই। এ ছাড়া টুইটারের যেসব ব্যবহারকারী জটিল বিষয়ে আগ্রহী নয়, তাদের জন্য এমন পরিসর তৈরি করতে চায় থ্রেডস। অবশ্যই সব টুইটার ব্যবহারকারীর জন্য নয়।’

আরও পড়ুন

৬ জুলাই নানা জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে থ্রেডস চালু করে মেটা। চালুর সাত ঘণ্টার মধ্যে অ্যাপটির ব্যবহারকারীর সংখ্যা কোটি ছাড়িয়ে যায়। এখন পর্যন্ত প্ল্যাটফর্মটিতে সাত কোটির বেশি গ্রাহক সাইন–আপ করেছেন।

উল্লেখ্য, মেটার থ্রেডস ও টুইটারের কিছু সুবিধা একই রকম। আবার কিছু সুবিধা থ্রেডসে নেই। থ্রেডসে ৫০০ অক্ষরে পোস্ট দেওয়া যায়, টুইটারের ক্ষেত্রে তা ২৮০ অক্ষর। উভয় মাধ্যমেই পোস্টে ছবি, ভিডিও এবং লিংক দেওয়া যায়। তবে ডিরেক্ট মেসেজ, ট্রেন্ডিং স্টোরিজ এবং হ্যাশটাগ সুবিধা নেই থ্রেডসে।
সূত্র: দ্য ভার্জ