রোমিং মান্টিস প্রচারণা নামে পরিচিত সাইবার অপরাধের এই ধরন ২০১৮ সালে প্রথম শনাক্ত করে ক্যাসপারস্কি। এতে ডোমেইন নেম সিস্টেম (ডিএনএস) পরিবর্তন করে সাইবার অপরাধীরা। অ্যান্ড্রয়েড-চালিত যন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ নিতে ডিএনএস পরিবর্তন করে ক্ষতিকর অ্যান্ড্রয়েড প্যাকেজ বা এপিকে ফাইল ব্যবহার করে অপরাধীরা। এ ছাড়া আইওএস-চালিত যন্ত্রের জন্য ফিশিং এবং কম্পিউটারের জন্য ক্রিপ্টো মাইনিং কৌশল ব্যবহার করে। এভাবে ব্যবহারকারীর যন্ত্র থেকে তথ্য চুরি করে সাইবার অপরাধীরা।

পরিবর্তিত ডিএনএস দিয়ে ওয়াই-ফাই রাউটার দিয়ে সাইবার অপরাধীর নিয়ন্ত্রিত সার্ভারের সঙ্গে ব্যবহারকারীর যন্ত্র যুক্ত হয়ে যায়। এরপর ল্যান্ডিং পেজ থেকে দ্রুত একটি ক্ষতিকর ফাইল নামিয়ে ব্যবহারকারীদের যন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার রাউটারকে লক্ষ্য করে এ ধরনের হ্যাকিং কার্যক্রম চালাচ্ছে সাইবার অপরাধীরা।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া