থ্রেট ফ্যাবরিকের তথ্যমতে, অ্যাপগুলো ইনস্টল করলেই অ্যান্ড্রয়েড মুঠোফোনে ব্যাংকিং ট্রোজান ভাইরাস প্রবেশ করে। এরপর মুঠোফোনে থাকা বিভিন্ন আর্থিক সেবা বা প্রতিষ্ঠানের লগইন তথ্য, অ্যাকাউন্ট নম্বরসহ অর্থ লেনদেনের ইতিহাস সাইবার অপরাধীদের কাছে নিয়মিত পাঠাতে থাকে। মুঠোফোন হ্যাক করার পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থও চুরি করতে পারে অ্যাপগুলো। পাঁচটির মধ্যে তিনটি অ্যাপ বেশ জনপ্রিয়। এরই মধ্যে এক লাখবারেরও বেশিবার করে ডাউনলোড হয়েছে অ্যাপগুলো।

ক্ষতিকর পাঁচটি অ্যাপ হলো জেটার অথেনটিকেশন, কোডিস ফিসক্যালস, রিকোভার অডিও ইমেজ অ্যান্ড ভিডিও, ফাইল ম্যানেজার স্মল লাইট এবং মাই ফাইন্যান্সেস ট্র্যাকার। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রিয়া, ইতালি, জার্মানি, স্পেন এবং পোল্যান্ডে এরই মধ্যে ট্রোজান ভাইরাসটির কার্যক্রম শনাক্ত করা হয়েছে।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ক্ষতিকর অ্যাপ থেকে রক্ষা পেতে অ্যাপ নামানোর আগেই নির্মাতাদের বিষয়ে অনলাইনে খোঁজখবর নিতে হবে। জানতে হবে অ্যাপটির বিষয়ে অন্য ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাও। অনলাইনে পাওয়া অপরিচিত লিংকে ক্লিক করে অ্যাপ নামানো থেকেও বিরত থাকতে হবে।
সূত্র: এনডিটিভি