নতুন প্রধানমন্ত্রীর ফেসবুক পেজ, ইনস্টাগ্রামে অনুসারী কত হলো

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজস্ক্রিনশট

বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তাদের উপস্থিতি জোরালো করেছে। সম্প্রতি চালু হওয়া ফেসবুক পেজ ও ইনস্টাগ্রামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৈনন্দিন কার্যক্রম ও রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী বিষয়গুলো জনগণের সামনে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে।

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে সক্রিয় উপস্থিতি

১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ পিএমও বাংলাদেশ। মাত্র কয়েক দিনেই অর্থাৎ আজ রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত এই পেজের অনুসারীর সংখ্যা ৫ লাখ ৬২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। পেজটিতে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন সৌজন্য সাক্ষাৎ, মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক ও গুরুত্বপূর্ণ সভার উচ্চমানের ভিডিও ও ছবি প্রকাশ করা হচ্ছে।

ফেসবুকের পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামেও পিএমও ডট বিডি ইউজারনেমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিভিন্ন তথ্য জানা যাচ্ছে। সেখানে বর্তমানে ১৯টি পোস্টের বিপরীতে সাত হাজারের বেশি অনুসারী রয়েছেন। যদিও ইনস্টাগ্রামে ব্যবহারকারীদের সংযোগ তুলনামূলক কম দেখা যাচ্ছে।

জনসম্পৃক্ততা যেমন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রম নিয়ে সাধারণ মানুষের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ করা গেছে। প্রতিটি পোস্টে গড়ে ১০ হাজারের বেশি রিঅ্যাকশন আসছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন সভার ছোট ক্লিপ বা ভিডিওতে কয়েক লাখ ভিউ বা দর্শক দেখা যাচ্ছে। এর ফলে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কাজগুলো জনগণের কাছে আরও দৃশ্যমান ও সহজবোধ্য হয়ে উঠছে।

আগে যেমন ছিল

২০২৪ সালের আগস্টের আগে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কোনো আনুষ্ঠানিক ফেসবুক পেজ ছিল না। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন কার্যক্রম আওয়ামী লীগের দলীয় ফেসবুক পেজ, সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ, সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনসহ (সিআরআই) বিভিন্ন ফেসবুক থেকে প্রকাশ করা হতো।

দক্ষিণ এশীয় পটভূমি ও তুলনা

প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, ডিজিটাল সংযোগ স্থাপনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফেসবুক উপস্থিতি অনেক বেশি। পিএমও ইন্ডিয়া পেজের অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ এবং নরেন্দ্র মোদির নিজস্ব ফেসবুক পেজের অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ৫ কোটি ৪০ লাখ। অন্যদিকে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজের অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ১৭ হাজার এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজের অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৭৩ হাজার। এই দেশগুলোও তাদের দাপ্তরিক পেজের মাধ্যমেই মূল হালনাগাদ প্রকাশ করে থাকে। শ্রীলঙ্কায় আবার ভিন্ন চিত্র দেখা যায়, সেখানে প্রধানমন্ত্রীর কোনো আলাদা অফিশিয়াল পেজ নেই। শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজ থেকেই কার্যক্রম জানানো হয়, যার অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৪৫ হাজার।