বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর খাতের জন্য ৩,৫০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে

বিএসআইএ ও এসআইসিআইপির চুক্তি সই অনুষ্ঠানছবি: বিএসআইএ

বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ) গতকাল মঙ্গলবার ঢাকায় স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পেটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (এসআইসিআইপি)-এর সঙ্গে চুক্তি সই করেছে। এ চুক্তির আওতায় বৃহৎ পরিসরে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প খাতভিত্তিক দক্ষ জনবল উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এসআইসিআইপির নির্বাহী প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন এবং বিএসআইএর সভাপতি এম এ জব্বার চুক্তিতে সই করেন। গতকাল বিএসআইএর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চুক্তি অনুযায়ী তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল (ইইই), ইলেকট্রনিকস ও কমিউনিকেশনস প্রকৌশল (ইসিই), কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই), ফলিত পদার্থবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয় থেকে স্নাতকসম্পন্ন ৩,৫০০ জনকে ছয়টি বিশেষায়িত কোর্সের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। কোর্সগুলো হলো: আইসি ডিজাইন ও লেআউট ইঞ্জিনিয়ারিং, অ্যাডভান্সড ফিজিক্যাল ডিজাইন প্রোগ্রাম, অ্যাপ্লায়েড সেমিকন্ডাক্টর সিস্টেমস, স্মার্ট সিস্টেমস ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্যাকেজিং অ্যান্ড টেস্টিং। প্রতিটি কোর্সের মেয়াদ হবে তিন মাস (২৪০ ঘণ্টা)। চুক্তি অনুযায়ী কর্মসূচিটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫ কোটি ১৪ লাখ টাকা এবং বাস্তবায়নকাল এখন থেকে আগামী ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন উচ্চমানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিতকরণ, কার্যকর ও শক্তিশালী মনিটরিং ব্যবস্থা এবং কর্মসূচির লক্ষ্য অনুযায়ী প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের ন্যূনতম ৬৫ শতাংশের চাকরি নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। বিএসআইএর সঙ্গে এই অংশীদারত্ব, যথাযথ তদারকি ও শিল্পখাতের সংযোগের মাধ্যমে দক্ষ জনবল তৈরি করবে।

এম এ জব্বার এসআইসিআইপিকে ধন্যবাদ জানান এবং এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তার অবদান থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই চুক্তি বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং এটি উন্নত ইলেকট্রনিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর সেবাখাতের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজনীয় দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে সহায়তা করবে।

বিএসআইএর এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি এম ই চৌধুরী শামীম, পরিচালক মুনির আহমেদ এবং সচিব হাশিম আহম্মদ।

উল্লেখ্য, এসআইসিআইপি কর্মসূচিটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অধীনে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং এটি বাংলাদেশ সরকার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকেএর আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত হবে।