পড়ে গেলে ভাঙে না, পানির নিচেও সচল থাকে টেকনোর এই স্মার্টফোন

টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো মডেলের স্মার্টফোনটেকনো

স্মার্টফোন কেনার সময় বেশির ভাগ মানুষ ক্যামেরা, কাজের গতি আর ব্যাটারির দিকেই বেশি নজর দেন। তবে শুধু ভালো ফিচার থাকলেই হয় না, প্রতিদিনের ব্যবহারে ফোনটি কতটা টেকসই, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, হঠাৎ বৃষ্টি, অসাবধানতাবশত হাত থেকে ফোন পড়ে যাওয়া বা ধুলাবালির সংস্পর্শে আসা, এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় প্রায় সব স্মার্টফোন ব্যবহারকারীকেই। এসব বাস্তব বিষয় মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে টেকনো বাংলাদেশ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইপি৬৮ ও আইপি৬৯ ডাস্ট এবং ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স প্রযুক্তির ফোনটি সর্বোচ্চ ছয় মিটার গভীর পানিতে ডুবে গেলেও সচল থাকে। ফলে শুধু বৃষ্টি বা পানির ছিটাই নয়, বিভিন্ন কঠিন পরিস্থিতিতেও স্বচ্ছন্দে ব্যবহার করা যায় ফোনটি। ফোনটিতে এসজিএস ফাইভ-স্টার ড্রপ রেজিস্ট্যান্স এবং ৩৬০ ডিগ্রি ড্রপ প্রোটেকশন–সুবিধা থাকায় অসাবধানতাবশত হাত থেকে পড়ে গেলেও পর্দায় ফাটল বা দাগ পড়ে না।

৬ দশমিক ৭৮ ইঞ্চি পর্দার ফোনটির রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্টজ। ফলে সহজেই উন্নত রেজোল্যুশনের ছবি ও ভিডিও দেখা যায়। নয়েজ ক্যানসেলেশন প্রযুক্তির ফোনটিতে ডিটিএস সাউন্ডসমৃদ্ধ দুটি স্পিকার থাকায় ভিড়ের মধ্যেও স্পষ্ট শব্দ শোনা যায়। ফোনটিতে ৬ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির পাশাপাশি ৬০ ওয়াটের সুপার চার্জিং-সুবিধা থাকায় দ্রুত চার্জ হয়। ফলে ব্যাটারির চার্জ শেষ হওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হয় না।

মিডিয়াটেক হেলিও জি১০০ আল্টিমেট প্রসেসরে চলা ফোনটিতে ওয়ান-ট্যাপ সামারাইজেশন, এআই ফ্ল্যাশমেমো, এআই রাইটিং, এআই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাসিস্ট্যান্ট, এআই প্রবলেম সলভিং, এআই হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং এআই স্মার্ট শিডিউলিংসহ বিভিন্ন এআই সুবিধা রয়েছে। ফলে দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজ সহজে করা যায়। ফোনটিতে সংস্করণভেদে ৬ ও ৮ গিগাবাইট র‍্যাম ও ১২৮ গিগাবাইট ধারণক্ষমতা রয়েছে। ফলে একই সঙ্গে একাধিক কাজ দ্রুত করার সুযোগ মিলে থাকে। ফোনটির দাম সংস্করণভেদে ২৬ হাজার ৯৯৯ টাকা ও ৩০ হাজার ৯৯৯ টাকা (ভ্যাট ছাড়া)।

অ্যান্ড্রয়েড ১৬ অপারেটিং সিস্টেমে চলা ফোনটিতে ‘ফ্রিলিঙ্ক ২.০’ সুবিধা রয়েছে, যা নেটওয়ার্ক দুর্বল হলেও কাছাকাছি থাকা একই প্রযুক্তি সমর্থন করা যন্ত্রের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে সাহায্য করে। এ ছাড়া টাচ ট্রান্সফার সুবিধার থাকায় অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোনের মধ্যে দ্রুত ও সহজে ফাইল আদান-প্রদান করা যায়। ফোনটির পেছনে ৫০ মেগাপিক্সেলের সনি লাইটিয়া ৬০০ ফ্ল্যাশস্ন্যাপ মেইন ক্যামেরা ও সামনে ৮ মেগাপিক্সেলের এআই ক্যামেরা থাকায় উন্নত রেজোল্যুশনের ছবি তোলার পাশাপাশি ভিডিও করা যায়। অল-সিনারিও নয়েজ ক্যান্সেলেশন সুবিধাযুক্ত ফোনটিতে ফোনকল বা অনলাইন বৈঠকের সময় আশপাশের শব্দ কম শোনা যায়, ফলে স্বচ্ছন্দে কথা বলা সম্ভব।