প্রযুক্তির এই দিনে: ১৬ আগস্ট
স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম জনশুমারির ফল প্রকাশ
স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র ব্যবহার করে প্রথম মার্কিন জনশুমারির ফল প্রকাশ। হারম্যান হলোরেহ উদ্ভাবিত দ্য হলোরেহ সেনসাস মেশিন ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা গণনা করা হয়।
১৬ আগস্ট ১৮৯০
স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র ব্যবহার করে প্রথম মার্কিন জনশুমারির ফল প্রকাশ
ইউএস সেনসাস ব্যুরো ঘোষণা দেয়, যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা ৬ কোটি ২৬ লাখ ২২ হাজার ২৫০। এই জনশুমারিতে প্রথমবাবের মতো স্বয়ংক্রিয় গণনাপদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। হারম্যান হলোরেহ উদ্ভাবিত দ্য হলোরেহ সেনসাস মেশিন ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা গণনা করা হয়।
জনসংখ্যা গণনা করতে একজন করণিকের যে সময় লাগত, তার থেকে অন্তত ১০ গুণ দ্রুত সময়ে গণনা করা যেত হলোরেহ যন্ত্রে। পাঞ্চকার্ড ও বৈদ্যুতিক সার্কিটের সমন্বয়ে গণনার কাজ করত এই যন্ত্র। যন্ত্রে তথ্য দিতে (ইনপুট) কর্মীরা পাঞ্চ প্যান্টোগ্রাফ ব্যবহার করতেন।
১৮৮৬ সালে হলোরেহ টেব্যুলেটিং মেশিন কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯২৪ সালে আরও দুটি কোম্পানিসহ এই প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস বা আইবিএমে পরিণত হয়।
হারম্যান হলোরেহ ১৯২৯ সালের ১৭ নভেম্বর মারা যান।
১৬ আগস্ট ১৯৯৫
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার-১ আনল মাইক্রোসফট
স্পাইগ্লাস মোজাইকের ওপর ভিত্তি করে শুধু উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য ওয়েব ব্রাউজার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার আনে মাইক্রোসফট। পরে ম্যাক ওএস, সোলারিস ও এইচপি-ইউএক্স অপারেটিং সিস্টেমের জন্যও তৈরি হয় ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার।
১৯৯৫ সালে বাজারে আসার সময় ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারকে মোজাইক ওয়েব ব্রাউজার ও নেটস্কেপ নেভিগেটরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয়। মাইক্রোসফট মরিয়া হয়ে ওঠে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারকে ওয়েব ব্রাউজার হিসেবে জনপ্রিয় করতে। নিজেদের অপারেটিং সিস্টেমে জুড়ে দেয় ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার। ফলে ব্রাউজার বাজারে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো পিছিয়ে পড়তে থাকে। ১৯৯৮ সালে মাইক্রোসফট এ কারণে অ্যান্টিট্রাস্ট মামলার মুখোমুখি হয়।
২০০৪ সালের মধ্যে মাইক্রোসফট অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের মোটামুটি ধ্বংসই করে দেয়। যখন মোজিলা ডটওআরজি ফায়ারফক্স ব্রাউজার প্রকাশ করে, তখন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে আধিপত্য কমতে থাকে।
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ১১-এর পর মাইক্রোসফট তাদের এজ ব্রাউজারে গুরুত্ব দেয় বেশি। শেষ পর্যন্ত মাইক্রোসফট এজ গুগল ক্রোমের রেন্ডারিং ইঞ্জিনে পরিণত হয়। ওদিকে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারও বন্ধ হয়ে যায়। ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যেত।
সূত্র: কম্পিউটার হিস্ট্রি ডটওআরজি ও উইন ওয়ার্ল্ড পিসি