হোয়াটসঅ্যাপে ব্যক্তিগত চ্যাট লক করবেন যেভাবে

হোয়াটসঅ্যাপছবি: রয়টার্স

তাৎক্ষণিক বার্তা বা ছবি আদান-প্রদানের পাশাপাশি সহজে কথা বলা ও ভিডিও কল করার সুযোগ থাকায় ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের কাজে হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। বিষয়টি অজানা নয় হোয়াটসঅ্যাপের কাছেও। আর তাই ব্যক্তিগত কথোপকথনের নিরাপত্তা বাড়াতে সম্প্রতি ‘চ্যাট লক’ সুবিধা চালু করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। সুবিধাটি ব্যবহার করে নির্দিষ্ট চ্যাট আলাদা করে লক করে রাখা যায়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ বা ব্যক্তিগত বার্তার তথ্য নিরাপদ থাকে।

হোয়াটসঅ্যাপের লক করা চ্যাট মূল চ্যাট তালিকায় দেখা যায় না। সেগুলো আলাদা একটি সুরক্ষিত ফোল্ডারে সংরক্ষিত থাকে। এ কারণে অন্য কেউ ফোন ব্যবহার করলেও ব্যক্তিগত কথোপকথন সহজে দেখতে পারে না। শুধু তা-ই নয়, লক করা চ্যাটে নতুন বার্তা এলেও নোটিফিকেশনে প্রেরকের নাম বা বার্তার অংশ দেখা যায় না। সেখানে শুধু সাধারণ একটি সতর্কবার্তা প্রদর্শিত হয়। লক করা চ্যাট খুলতে ফোনের পাসকোড, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস আইডি অথবা আলাদা সিক্রেট কোড প্রয়োজন হওয়ায় তথ্যের নিরাপত্তা বৃদ্ধি পায়।

চ্যাট লক চালু বা বন্ধ করতে প্রথমে যে চ্যাটটি লক করতে হবে, সেটির ওপর ট্যাপ করতে হবে। এবার ওপরের ডান দিকে থাকা তিনটি ডট মেনুতে ট্যাপ করে ‘লক চ্যাট’ অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর কিপ দিস চ্যাট লকড অ্যান্ড হিডেন নামে একটি বাটন দেখা যাবে। তার নিচে থাকা কন্টিনিউ বাটনে প্রেস করতে হবে। এরপর আঙুলের ছাপ দিলে সুবিধাটি চালু হয়ে যাবে। চ্যাট লক চালু হলে অন্যদের কাছে এ-সংক্রান্ত কোনো নোটিফিকেশন যাবে না। লক করা চ্যাট দেখতে চাইলে ওপরে থাকা লকড চ্যাট অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর আঙুলের ছাপ দিলে লক করা চ্যাটের তালিকা দেখা যাবে। সেখান থেকে চ্যাট আনলকও করা যাবে।

হোয়াটসঅ্যাপে ব্যক্তিগত চ্যাটের পাশাপাশি গ্রুপ চ্যাট এবং মিউট করা চ্যাটেও চ্যাট লক সুবিধা ব্যবহার করা যায়। তবে ডিভাইসে টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু না থাকলে চ্যাট লক ব্যবহারের আগে সেটি সক্রিয় করতে হবে।