মানুষের শরীরে মাধ্যাকর্ষণ শক্তিহীন পরিবেশের প্রভাব জানতে মহাকাশে গেলেন চার নভোচারী

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছেছেন নভোচারীরাছবি: রয়টার্স

মানুষের শরীরে মাধ্যাকর্ষণ শক্তিহীন প্রতিকূল পরিবেশের প্রভাব সম্পর্কে জানতে মহাকাশে চারজন নভোচারী পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল স্পেস ফোর্স স্টেশন থেকে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্পেসএক্সের ফ্যালকন ৯ রকেটে করে নিরাপদে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) পৌঁছেছেন তারা।

নাসার তথ্যমতে, মহাকাশের মাধ্যাকর্ষণ শক্তিহীন পরিবেশ মানবদেহের রক্ত সঞ্চালন ও রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ার ওপর কী প্রভাব ফেলে, তা নিয়ে গবেষণা করবেন নভোচারীরা। এ ছাড়া ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ অভিযানের প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত তথ্য সংগ্রহ করবেন তাঁরা। নভোচারীদের বহন করা ক্রু ড্রাগন ক্যাপসুলের জ্বালানি সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর এ অভিযান চালানো হয়েছে।

নভোচারীদের দলটি গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে মহাকাশ স্টেশনে অবস্থান করা চারজন নভোচারীর স্থলাভিষিক্ত হবেন। নতুন এ মিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের নভোচারী ও ভূতত্ত্ববিদ জেসিকা ওয়াটকিন্স, যুক্তরাষ্ট্রের লুক ডেলানি, কানাডার জোশুয়া কুট্রিক এবং রাশিয়ার সের্গেই তেতেরিয়াতনিকোভ।

নাসার ব্যবস্থাপক ডানা উইগেল জানিয়েছেন, মহাকাশে ছয় মাস গবেষণা করবেন এই চার নভোচারী। ১৯৭০ সালের চন্দ্রাভিযানের লুনার মিশন অ্যাপোলো ১৩-এর স্মরণে এ মিশনের নামকরণ ও প্যাচ ডিজাইন করা হয়েছে। দুই দশকের বেশি সময় ধরে চালু থাকা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনটি ২০৩০ সাল পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।

সূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া