সংবাদ সম্মেলনে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘এটাই হবে শেষ ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা। ভবিষ্যতে আয়োজন করা হবে স্মার্ট বাংলাদেশ মেলা। ডিজিটাল বাংলাদেশের শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ রূপান্তরের দিকে এগিয়ে যাব। এবারের মেলায় প্রথমবারের মতো ১৩ বিভাগে ২২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ পদক দেওয়া হবে।’

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোর্শেদ জামান সংবাদ সম্মলনে বলেন, স্মার্ট প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ এখন আর কোনো কল্পনা নয়, বাস্তবতা। এবারের মেলা হবে পরিবেশ ও নারীবান্ধব।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সবার জন্য উন্মুক্ত এ মেলায় ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রযুক্তি সক্ষমতা ও স্মার্ট বাংলাদেশের পথে যাত্রা শুরুর প্রস্তুতির তথ্য তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি (এআই), ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), রোবোটিকস, বিগ ডেটা ও ব্লক চেইন প্রযুক্তির বিভিন্ন উদ্ভাবন প্রদর্শন করা হবে। ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) চশমা পরে মেলা প্রাঙ্গণ থেকেই দর্শনার্থীরা বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর ভার্চ্যুয়ালি ঘুরে দেখতে পারবেন। মেলায় ৮টি সেমিনারের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ের প্রথম মোবাইল কংগ্রেস আয়োজন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাহবুবুল আলম, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ভাইস চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ এবং ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ইমদাদুল হক।