ফ্লায়ার তৈরির কাজ করার জন্য প্রথমেই আপওয়ার্ক, পিপল পার আওয়ার, ড্রাইভারসহ বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে ক্লায়েন্ট খুঁজতে হবে। অনেক মার্কেটপ্লেসে নিজের তৈরি ফ্লায়ারের নমুনা জমা রাখা যায়। সেগুলো দেখে পছন্দ হলে ক্লায়েন্টরাই কাজ দেন। একটি ফ্লায়ার তৈরি করে কাজ ভেদে ৫ থেকে ২০০ ডলার পর্যন্ত আয় করা যায়। কিছু মার্কেটপ্লেসে ঘণ্টা চুক্তিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করা যায়। এই কাজে ঘণ্টায় ২ থেকে ৫০ ডলার পর্যন্ত পারিশ্রমিক মিলে থাকে।

অনেক মার্কেটপ্লেসে ফ্লায়ার তৈরি করে বিনা মূল্যে আপলোড করে রাখা যায়। আপনার তৈরি করা ফ্লায়ার অন্যরা চাইলেই ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রতি হাজার ডাউনলোডের জন্য অর্থ দিয়ে থাকে মার্কেটপ্লেসগুলো। ফলে আপনি যদি বেশ কিছু ভালো মানের ফ্লায়ার তৈরি করে অনলাইনে জমা রাখলে দীর্ঘ সময় ধরে আয় করতে পারবেন। ডিজাইনহিল, ফ্রিপিক, বিগস্টক মার্কেটপ্লেসে ফ্লাইয়ার সরাসরি বিক্রি করারও সুযোগ মিলে থাকে। এ ক্ষেত্রে ফ্লায়ারের মান অনুযায়ী দাম পাওয়া যায়।

ফ্লায়ার তৈরির সময় ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে প্রথমেই জানতে হবে ফ্লায়ারটি কোন কাজে ব্যবহার করা হবে। ফ্লায়ার কি প্রিন্ট হবে, না অনলাইনে প্রচার করা হবে। এরপর ফ্লায়ারের আকার ও রং নির্ধারণ করে মার্জিন ঠিক করতে হবে। চারপাশের মার্জিন ন্যূনতম দশমিক ৫ ইঞ্চি ধরে করাই ভালো। যদি দশমিক ৫ ইঞ্চির বেশি এবং ১ ইঞ্চির কম নেওয়া হয় তবে ফ্লায়ারের নকশা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। প্রিন্টের জন্য ফ্লায়ার তৈরি করলে কালার মোড সিএমওয়াইকে এবং অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে আরজিবি মোড নির্বাচন করে নকশা তৈরি করতে হবে।

আপনি যে ধরনের ফ্লায়ার তৈরি করেন না কেন কারও নকশা নকল বা কপিরাইট আছে এমন ছবি ব্যবহার করবেন না। এর ফলে আপনার কাজ বাতিল হয়ে যাবে এবং ক্লায়েন্টের অর্থ জরিমানা হবে।