কাজে লাগে ট্যাবলেট

প্রযুক্তির এই সময়ে যন্ত্রসঙ্গী থাকবে না, ভাবা যায়! তবে, কোন যন্ত্রটা হবে সব সময়ের সঙ্গী? সেখানে রয়েছে নানা কৌতূহল ও প্রশ্ন। যেকোনো জায়গায় সহজে বহনযোগ্য, স্বচ্ছন্দে ব্যবহার করা যায়—এ রকমই কিছু একটা চাই। সেটা হতে পারে ট্যাবলেট কম্পিউটার বা ট্যাব!
বাজারে অপারেটিং সিস্টেমের ধরন অনুযায়ী তিন রকমের ট্যাব পাওয়া যায়। এগুলো হলো অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজ ও অ্যাপল (আইওএস) অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর। এর মধ্যে বেশির ভাগ নির্মাতার ট্যাবে থাকে অ্যান্ড্রয়েড। কিছু উইন্ডোজ আর আইওএস শুধু ব্যবহৃত হয় অ্যাপল কম্পিউটারের আইপ্যাডে। ট্যাবলেটে তথ্য ধারণক্ষমতা থাকে ৪ থেকে ১২০ গিগাবাইট পর্যন্ত।
খুব সাবলীলভাবে ট্যাবের পর্দায় আঙুল ছুঁয়ে ছুঁয়ে চলবে সব কাজ। এমনকি স্মার্টফোনের অনেক কাজই এতে সহজে করা যায়। সিমকার্ড ব্যবহার করা যায় যেসব ট্যাবে, সেসবে মুঠোফোনের মতোই কল করা যায়। আর ওয়াই–ফাই থাকে সব ট্যাবলেটেই। সাধারণত ল্যাপটপ কম্পিউটারে করা যায়, এমন অনেক কাজ করে দেয় ট্যাবলেট। ইন্টারনেট ব্যবহার ও মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনা দেখানোর জন্য ট্যাব বিশেষ কাজের।
রায়ানস কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার বিশেষজ্ঞ মেহেদী হাসান বললেন, ‘তরুণদের মধ্যে ট্যাব ব্যবহারের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। ইদানীং সময়ের ট্যাবগুলোয় থাকছে উন্নত প্রযুক্তি।’
ট্যাব ব্যবহারে কিছু সচেতনতার কথা বললেন মেহেদী হাসান—
: ট্যাবে স্ক্রিন প্রটেক্টর ও ফ্লিপ কভার লাগানো ভালো।
: অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যেন সব সময় হালনাগাদ থাকে।
: নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের দেওয়া চার্জার ব্যবহার করা ভালো।
: খেয়াল রাখতে হবে, ট্যাবে যেন ধুলা না জমে। এটা যেন হাত থেকে পড়ে না যায়।
: ক্যামেরায় কোনো ধরনের তরল পদার্থ না লাগলেই চিন্তামুক্ত থাকা যাবে।
বাজারে অ্যান্ড্রয়েড ট্যাব মিলবে ৫ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকায়। উইন্ডোজ ট্যাব পাওয়া যাবে ৩০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকার মধ্যে। আইপ্যাড পাবেন ৪০ হাজার থেকে এক লাখ টাকার মধ্যে।