র সা য় ন

বিশেষ পরামর্শ 

প্রিয় এসএসসি পরীক্ষার্থী, রসায়নে ভালো করতে হলে পাঠ্যবইয়ের নিচের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেবে।

যেমন—১. ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তন, ২. অণু-পরমাণু, আণবিক ও পারমাণবিক ভর, মৌল, রাসায়নিক সংযোগ সূত্রসমূহ, ৩. অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও অনুসিদ্ধান্তসমূহ এবং এদের গাণিতিক সমস্যাসমূহ, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা এবং এর গাণিতিক সমস্যাসমূহ, ৪. যৌগের রাসায়নিক সংযুক্তি থেকে আণবিক সংকেত নির্ণয়, যোজনী, গাঠনিক সংকেত, রাসায়নিক সমীকরণ এবং এর ভরমাত্রিক তাত্পর্য, ৫. মৌলিক কণিকাসমূহ, রাদারফোর্ডের পারমাণবিক মডেল ও এর সীমাবদ্ধতা, বোরের মতবাদ এবং আধুনিক মতবাদে পরমাণুতে ইলেকট্রনবিন্যাস, ৬. রাসায়নিক বন্ধনসমূহের কারণ এবং প্রক্রিয়া, আয়নিক ও সমযোজী যৌগসমূহের কয়েকটি বিশেষ ধর্ম যেমন—গলনাঙ্ক, স্ফুটনাঙ্ক, পানিতে দ্রাব্যতা প্রভৃতি, ৭. পর্যায় সারণির ভিত্তি, বৈশিষ্ট্যসমূহ, মেন্ডেলিফের পর্যায় সূত্র ও আধুনিক পর্যায় সূত্রের তুলনা, পর্যায় সারণিতে অজানা মৌলের স্থান নির্ণয়, মৌলসমূহের পর্যায়বৃত্ত ধর্মসমূহ এবং এদের অণুক্রম বিশেষ করে তৃতীয় পর্যায়ের অক্সাইডের অম্ল ও ক্ষারধর্মিতা ৮. রাসায়নিক বিক্রিয়া ও এর কারণ, বিভিন্ন বিক্রিয়ার শ্রেণীবিভাগ, জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার পুরোনো ও আধুনিক মতবাদ, ৯. বিক্রিয়ার ওপর তাপমাত্রার প্রভাব, উভমুখী বিক্রিয়া ও গতিময় সাম্যাবস্থা এবং লাশ্যাতেলিয়ের নীতি ও এর প্রয়োগ ১০. তড়িত্ বিশ্লেষণের কৌশল, বিভিন্ন ঘন মাত্রার সোডিয়াম ক্লোরাইডের তড়িত্ বিশ্লেষণ, তড়িত্দ্বার পরিবর্তনে বিক্রিয়ার উত্পাদের কোনো পরিবর্তন ঘটবে কি না? ইলেকট্রোপ্লেটিং, ফ্যারাডের সূত্রসংশ্লিষ্ট গাণিতিক সমস্যা, ১১. তাপোত্পাদী ও তাপহারী বিক্রিয়া, বিক্রিয়ায় তাপের কারণ, ডেলটা এইচের তাত্পর্য, তাপ পরিবর্তনের পরিমাণ নির্ণয়ের গাণিতিক সমস্যা, দহন তাপ, প্রশমন তাপ, দ্রবণ তাপ, ১২. ধাতু নিষ্কাশন একটি বিজারণ প্রক্রিয়া, পদ্ধতিদ্বয় (তড়িত্ বিশ্লেষণ ও কার্বন বিজারণ) তুলনা, ধাতুসমূহের নিষ্কাশনপদ্ধতির শুধু মূলনীতি ১৩. ধাতুসমূহের বিশেষ ধর্ম, রাসায়নিক ধর্ম, ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ বিক্রিয়া, শনাক্তকরণ, ভিট্রিয়লসমূহ, ১৪. সংশ্লিষ্ট অধাতুগুলোর ভৌত ধর্ম, রাসায়নিক ধর্ম, ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ বিক্রিয়া, অধাতুর অক্সাইড থেকে অ্যাসিড প্রস্তুতি, ১৫. জৈব যৌগের শ্রেণীবিভাগ, কার্যকরী মূলক, সমগোত্রীয় শ্রেণী, সমানুতা, অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকোহল।

উত্তর দেওয়ার সময় মনে রাখবে:

# জ্ঞানের স্তরের প্রশ্নগুলো সরাসরি পাঠ্যবই থেকে আসবে, তাই সূত্র, নীতি সংজ্ঞাগুলো মুখস্থ লিখবে।

# অনুধাবন স্তরের প্রশ্নগুলো যেহেতু সরাসরি পাঠ্যবই থেকে আসবে, তবে বুঝেছ কি না তা যাচাই করবে। তাই সূত্র, নীতি, সংজ্ঞাগুলো মুখস্থের পাশাপাশি উদাহরণসহ দুই-তিন লাইন নিজের মতো করে লিখবে।

# প্রয়োগ স্তরের প্রশ্নগুলো দ্বারা যেহেতু আগের ধারণাকে নতুন পরিস্থিতিতে তুমি প্রয়োগ করতে পারো কি না যাচাই করবে, সেহেতু তোমার বইয়ের কোনো বিষয়কে নতুন একটা বিষয়ের ওপর প্রয়োগ ঘটাতে চাইবে। তাই আগে ওই প্রশ্ন সম্পর্কিত যে তথ্য পাঠ্যবইয়ে আছে তা লেখো (জ্ঞান), তারপর তার উদাহরণসহ দুই-তিন লাইন নিজের মতো করে এমনভাবে লিখবে যেন মনে হয় তোমার কাছে বিষয়টি পরিষ্কার (অনুধাবন)। সবশেষে প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত নতুন বিষয়টি সম্পর্কে পূর্বজ্ঞানের প্রয়োগ ঘটাও ।

# উচ্চতর দক্ষতা স্তরের প্রশ্নে সম্পূর্ণ নতুন একটি পরিস্থিতিতে তোমার নিজের একটা যুক্তি চাওয়া হবে, এ জন্য তুমি আগের মতো ওই প্রশ্ন সম্পর্কিত যে তথ্য তোমার পাঠ্যবইয়ে আছে তা লেখো (জ্ঞান), তারপর তার উদাহরণসহ দুই-তিন লাইন নিজের মতো করে লিখবে (অনুধাবন)।