কেরখোভ বলেন, বিভিন্ন দেশের নমুনা পরীক্ষা ভিত্তিতে তাঁরা সম্মত হয়েছেন যে গুরুতর রোগ সৃষ্টির ক্ষেত্রে অমিক্রনের মূল ধরন বিএ.১ এবং উপধরন বিএ.২–এর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। কেরখোভ বলেন, ‘আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকি বিবেচনায় নিলে এ দুই ধরনের সক্ষমতা সমপর্যায়ের। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ অনেক দেশে বিএ.১ ও বিএ.২ দুটোরই একই সঙ্গে বিস্তার দেখা গেছে।’

ডেনমার্কসহ যেসব দেশে অমিক্রনের বিএ.২ ধরনের বিস্তার দেখা গেছে সেসব দেশে ডব্লিউএইচওর নতুন এ ঘোষণাটি স্বস্তিকর হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বিএ.২ উপধরনটি সহজাতভাবে অনেক বেশি সংক্রামক। কেন এটা হচ্ছে, তা জানতে আরও গবেষণা চলছে। বিশ্বজুড়ে সবগুলো ধরনেরই বিস্তার কমছে।

এএফপির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৫৮ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আশঙ্কা, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা দুই বা তিন গুণ বেশি হতে পারে।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন