কীভাবে এই রক্ত জমাট বাঁধার মতো বিরল ঘটনা ঘটে, তার বিস্তারিত কার্ডিফ ইউনিভার্সিটির বরাত দিয়ে উল্লেখ করেছে বিবিসি। এতে বলা হয়েছে, যেসব ভাইরাসের কারণে মানুষের ঠান্ডাজনিত সমস্যা দেখা দেয়, তার মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল ভাইরাসের সঙ্গে করোনার জিনগত উপাদান মিশিয়ে এ টিকা তৈরি করা হয়েছে। সাধারণত মাংসপেশিতে এ টিকা দেওয়া হয়। কিন্তু অনেক সময় এ টিকা রক্তপ্রবাহের সঙ্গে সরাসরি মিশে যায়। ফলে এ টিকার উপাদান রক্তের প্রোটিন কণা প্লাটিলেট ফ্যাক্টর-৪-কে আকর্ষণ করতে পারে। কিন্তু মাঝেমধ্যে এমন বিরল ঘটনা ঘটে যে শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা একে বিভ্রান্ত হয় এবং অ্যান্টিবডি নিঃসরণ করে। এই অ্যান্টিবডি ও প্লাটিলেট ফ্যাক্টর-৪ মিলিত হওয়ার কারণে রক্ত জমাট বাঁধার মতো ঘটনা ঘটে থাকে।

বিজ্ঞানীদের এ দলের সঙ্গে অ্যাস্ট্রাজেনেকার বিজ্ঞানীরাও যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু এ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, টিকা নিয়ে রক্ত জমাট বাঁধার ঘটনার চেয়ে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে রক্ত জমাট বাঁধার ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা বেশি। কিন্তু এ নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি তারা।

অ্যাস্ট্রাজেনেকার পক্ষ থেকে এমন বক্তব্য দেওয়ার পর অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটি ও কার্ডিফ ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা নতুন তথ্য জানালেন।

এদিকে স্কাই নিউজের খবরে বলা হয়েছে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নিয়ে রক্ত জমাট বাঁধার ঘটনা খুব কমই ঘটেছে। গত মে মাসে যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, দেশটিতে ২ কোটি ৮৫ লাখ ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দেওয়া হয়েছে। এতে ২৪২ জনের রক্ত জমাট বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। আর এ কারণে মারা গেছেন ৪৯ জন।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন