বিজ্ঞাপন

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট বলছে, চীন সরকার ইউরোপের রাজনীতিকদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা না তুললে এ চুক্তি অনুমোদন পাবে না। দীর্ঘ সাত বছর দর-কষাকষির পর গত ডিসেম্বরে ‘ইইউ-চায়না কম্প্রিহেনসিভ অ্যাগ্রিমেন্ট অন ইনভেস্টমেন্ট’ শীর্ষক চুক্তিটি আলোর মুখ দেখে। এর আওতায় ইউরোপের কোম্পানিগুলোর জন্য চীনে ব্যবসা করার সমান সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে চলতি বছরের শুরু থেকে দুই পক্ষের সম্পর্ক শীতল হতে শুরু করে।

জিনজিয়াংয়ে উইঘুর মুসলিমদের ওপর চীন সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘনের সমালোচনা করায় গত মার্চে বেইজিং ইউরোপের ১০ রাজনীতিক, থিংক ট্যাংক ও কূটনৈতিক কর্তৃপক্ষের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এ তালিকায় ইউরোপীয় পার্লামেন্টের মানবাধিকারবিষয়ক উপকমিটির পাঁচ সদস্যও রয়েছেন।

জার্মান-ইইউ আইনপ্রণেতা রেইনহার্ড বুটিকোফারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বেইজিং। ইউরোপীয় পার্লামেন্টে এমন সিদ্ধান্তের পরে তিনি বলেন, চীন আন্তর্জাতিক আইন মেনে নিষেধাজ্ঞা দেয়নি। বেইজিংয়ের ভুলের জন্যই বিনিয়োগ চুক্তির অনুমোদন আটকে দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন