বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রশিক্ষণের জন্য গরুকে একটি বদ্ধ শৌচাগারে রাখা হয়। যখন প্রাণীটি বর্জ্য ত্যাগ করে, তখন তাকে পুরস্কার হিসেবে দারুণ সব খাবার দেওয়া হয়। সেই খাবারের মধ্যে চিনিমিশ্রিত পানি অথবা ভাঙা বার্লি রয়েছে। গবেষণা নিবন্ধের প্রধান লেখক এবং এফবিএনের গবেষক নিল ডার্কসেন বলেছেন, বাইরে বের করার আগে গরুকে শৌচাগারে নিয়ে যাওয়া হয়, যাতে সেখানে বর্জ্য ত্যাগ করে।

একটি গবাদিপশু দিনে ৬৬ থেকে ৮৮ পাউন্ড মলত্যাগ এবং ৮ গ্যালন প্রস্রাব করে থাকে। এসব বর্জ্য ত্যাগের কোনো ঠিকঠিকানা থাকে না। ফলে সুবিধামতো যখনই সময় পায়, তখন যেখানে–সেখানে বর্জ্য ত্যাগ করে গবাদিপশু।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বিজ্ঞানীরা বলেছেন, বিশ্বে অ্যামোনিয়া গ্যাস নিঃসরণে সবচেয়ে দায়ী কৃষিকাজ। কৃষি থেকে নিঃসরিত অ্যামোনিয়ার অর্ধেকের বেশি আসে গবাদিপশু থেকে। গবাদিপশুর বর্জ্য যখন মাটিতে মেশে, তখন সেটি নাইট্রাস অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়। এটি একটি গ্রিনহাউস গ্যাস। এ ছাড়া গোবর্জ্য মাটি ও পানি দূষিত করে।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন