বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়, আইসফিশ বা বরফ অঞ্চলের মাছের অনন্য এই আবাসকে বিশ্বের বৃহত্তম বলে মনে করা হচ্ছে। স্বচ্ছ খুলির আইসফিশ একমাত্র মেরুদণ্ডী প্রাণী, যেগুলোর লোহিত রক্তকণিকা নেই। এত কম তাপমাত্রায় বেঁচে থাকার জন্য এ মাছের স্বচ্ছ রক্তে একটি জমাট প্রতিরোধী প্রোটিন তৈরি হয়।

গত বছর জার্মান মেরু গবেষণা জাহাজ পোলারস্টার্নে থাকা গবেষকেরা মাছের এই প্রজননক্ষেত্র আবিষ্কার করেন। জাহাজ থেকে গাড়ির সমান আকৃতির ক্যামেরা ব্যবহার করে সমুদ্রের নিচের ছবি ধারণ করেছিলেন গবেষকেরা। তাঁরা এ সময় কর্দমাক্ত সমুদ্রতলে পাথরের বৃত্তের মধ্যে মাছের প্রজননক্ষেত্র দেখে বিস্মিত হন।

গত বৃহস্পতিবার কারেন্ট বায়োলজি শীর্ষক সাময়িকীতে গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। পার্সার বলেন, ‘আমার দেড় দশকের সমুদ্রবিজ্ঞানী হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতায় এমন ঘটনা আগে কখনো দেখিনি। আমরা এই ছবি, মৎস্য গবেষকদের কাছে পাঠিয়েছি। তাঁরা বলেছেন, এ ঘটনা অনন্য।’

গবেষকেরা বলছেন, মাছের এই আবাসস্থলে প্রতি তিন বর্গমিটারের মধ্যে একটি বাসা আছে। প্রতিটি বাসা প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার গভীর ও ৭৫ সেন্টিমিটার ব্যাসের। প্রতিটি বাসায় গড়ে ১ হাজার ৭৩৫টি ডিম আছে।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন