বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাইটের নির্বাহী পরিচালক রিতা কার্টজ বলেন, জাওয়াহিরির ৬০ মিনিটের ওই ভিডিও গত ডিসেম্বরের পরের বলে মনে হচ্ছে। ‘জেরুজালেম ইহুদিদের হবে না’ শিরোনামের ভিডিওটি আল-কায়েদার প্রচারমাধ্যম সাহাব মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়।

ওই ভিডিওতে জাওয়াহিরিকে গত ১ জানুয়ারি সিরিয়ায় রাশিয়ার সেনাদের ওপর আল-কায়েদাসমর্থিত হুরাস আল-দ্বীনের এক হামলার কথা উল্লেখ করা হয়। অথচ গত নভেম্বরে তাঁর মৃত্যুর খবর চাউর হয়েছিল। ভিডিওতে তিনি আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার প্রসঙ্গেও কথা বলেছেন। তবে নতুন তালেবান সরকার গঠন নিয়ে কোনো বক্তব্য নেই। এ প্রসঙ্গে রিতা কার্টজ বলেন, এ বিষয়ে প্রমাণিত হয়, তিনি মারা গেলেও তা চলতি বছরের জানুয়ারির পরেই হবে, আগে নয়। অর্থাৎ, গত নভেম্বরে চাউর হওয়া তাঁর মৃত্যুর খবরটি সঠিক নয়।

২০১১ সালে পাকিস্তানে মার্কিন কমান্ডো অভিযানে আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেন নিহত হন। এরপর ২০১১ সালের ১৬ জুন আয়মান আল-জাওয়াহিরিকে আল-কায়েদার নতুন নেতা হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। ওসামা বিন লাদেন বেঁচে থাকা অবস্থায় জাওয়াহিরিকে আল-কায়েদার দ্বিতীয় প্রধান মনে করা হতো।

পেশায় শল্যচিকিৎসক ছিলেন জাওয়াহিরি। তাঁকে আল-কায়েদার তাত্ত্বিক গুরু বলে মনে করা হয়। বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ মনে করেন, ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার তিনিই ছিলেন মূল পরিকল্পনাকারী। তাঁকে ধরিয়ে দিতে যুক্তরাষ্ট্র পুরস্কার ঘোষণা করে রেখেছে।

গত ৫ জুন জাওয়াহিরির মৃত্যুর তথ্যের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে প্রতিবেদন দিয়েছিল জাতিসংঘ। ওই প্রতিবেদনে বলা হয় জাওয়াহিরি সম্ভবত আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্ত অঞ্চলে বেঁচে আছেন। জাতিসংঘের অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাঙ্কশনস মনিটরিং টিমের ১২তম প্রতিবেদন ছিল সেটি।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন