default-image

মার্কিন প্রতিষ্ঠান জনসন অ্যান্ড জনসনের প্রথম ব্যাচের কোভিড-১৯ টিকা আগামী জানুয়ারি নাগাদ জরুরি ব্যবহারের জন্য পাওয়া যেতে পারে। কোম্পানিটির জনস্বাস্থ্য গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান রাক্স্যান্ড্রা দ্রাঘিয়া-আকলি বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে এক উপস্থাপনায় এ কথা বলেছেন। গতকাল সোমবার বিজনেস টুডে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

মার্কিন ওষুধ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি আগেও করোনার টিকা পাওয়ার বিষয়ে একই ধরনের আশার কথা বলেছিল। এখন কোম্পানিটির জনস্বাস্থ্য গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধানও একই কথা বললেন।

জনসন অ্যান্ড জনসনের সম্ভাব্য টিকাটির নাম ‘জ্যানসেন’। অন্য টিকা দুই ডোজ প্রয়োজন হলেও জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকার মাত্র এক ডোজ প্রয়োজন হবে।

গত শুক্রবার জনসন অ্যান্ড জনসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের বড় আকারের টিকা পরীক্ষা আবার শুরু হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

সিএনএনের খবরে জানানো হয়, টিকা পরীক্ষায় একজন স্বেচ্ছাসেবী অসুস্থ হয়ে পড়লে চলতি মাসের শুরুর দিকে জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকার পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

অংশগ্রহণকারী এক স্বেচ্ছাসেবক অসুস্থ হয়ে পড়ায় জনসন অ্যান্ড জনসন ১২ অক্টোবর তাদের টিকা পরীক্ষা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানায়। শুক্রবার জনসন অ্যান্ড জনসন জানায়, ওই ব্যক্তি কেন অসুস্থ হয়েছিলেন, তা জানা যায়নি।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকার পরীক্ষা শুরু হয়। আটটি দেশের ৬০ হাজার মানুষকে এই পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ টিকার পরীক্ষার প্রাথমিক ফল পাওয়ার আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

যুক্তরাষ্ট্রে চূড়ান্ত টিকা পরীক্ষায় বা তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকাটি চতুর্থ। টিকা পরীক্ষার ক্ষেত্রে জনসন অ্যান্ড জনসনের পরীক্ষাটি সবচেয়ে বড়।

যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি ব্রিটিশ কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার পরীক্ষাও আবার শুরু হয়েছে। একজন স্বেচ্ছাসেবকের অসুস্থতার খবরে এই টিকার পরীক্ষাও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণে জটিলতার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি প্রবীণদের। সেই প্রবীণদের শরীরেও প্রয়োজনীয় রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রাজেনেকার সম্ভাব্য টিকাটি। শুধু তা-ই নয়, তরুণদের শরীরেও কাজ করছে টিকাটি। অ্যাস্ট্রাজেনেকা গতকাল সোমবার এই দাবি করেছে।

চলমান মহামারি মোকাবিলায় একটি কার্যকর ও নিরাপদ টিকার প্রত্যাশা করছে পুরো বিশ্ব। এ খবরে সেই আশা আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0