বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংসদের ৩৩৮টি আসনে ভোটার ২ কোটি ৭০ লাখ। এককভাবে সরকার গঠনে যেকোনো দলকে কমপক্ষে ১৭০টি আসনে জয় নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমান সরকারে ট্রুডোর সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় সরকার পরিচালনা করতে গিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ওপর নির্ভর করতে হয়। গত মাসে পরিচালিত এক মতামত জরিপের ফলাফলে ট্রুডোকে নির্বাচনে এগিয়ে রাখা হয়। কিন্তু জনমত জরিপে ক্ষমতাসীন লিবারেল দল এগিয়ে থাকলেও ব্যবধান এত সামান্য যে বিরোধী নেতা এরিন ও’টুলের রক্ষণশীল দলের জয়ের সম্ভাবনাও দেখছেন অনেকে।

৪৪তম সাধারণ নির্বাচনে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন না–ও পেতে পারেন তিনি। এককভাবে সরকার গঠনে কোনো দলকে কমপক্ষে ১৭০টি আসনে জয় নিশ্চিত করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের দুই বছর আগে নির্বাচন দেওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় লিবারেল সরকারের বিষয়ে ভোটারদের মতামত জানতেই এই নির্বাচন। তাঁর আগাম নির্বাচনের সিদ্ধান্ত অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত বৈকি। নিজ সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়া সংখ্যালঘু সরকারের প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো এবার একক সরকার গঠন করতে পারবেন কি, নাকি উল্টো আরও আসন হারিয়ে সংসদে বিরোধীদের শক্তিশালী হয়ে ওঠার সুযোগ দেবেন, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।

তবে মধ্যবর্তী এই নির্বাচনে তাঁর দলের পক্ষে বড় ব্যবধান তৈরি করতে না পারাটা তাঁর জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে। লিবারেল পার্টির বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, হাউস অব কমন্সের ৩৩৮টি আসনের অধিকাংশ আসনে জয়ী হওয়াটা ট্রুডোর দলের জন্য বেশ কঠিন হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে জাস্টিন ট্রুডোর সরকার করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সবার জন্য টিকা নিশ্চিত করতে গিয়ে কিছুটা হতাশ হয়ে পড়েছিল। তিনি টিকা নিয়ে জোর প্রচারণা চালিয়েছিলেন। অপর দিকে বিরোধী দলীয় নেতা এরিন ও’টুল দ্রুত করোনার পরীক্ষা করানোকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। গত রোববার নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিনে অন্টারিওর নায়াগ্রা ফলস এলাকায় সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘নিরবচ্ছিন্নভাবে টিকা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আমাদের স্বচ্ছ ও দৃঢ় নেতৃত্ব প্রয়োজন, আর আমরা সেটাই করছি।’

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন