বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গবেষণাটিতে নেতৃত্ব দেন এমিলি সিকবার্ট-বেনেট । তিনি ইউএনসির স্কুল অব মেডিসিনের সংক্রামক ব্যাধির সহযোগী অধ্যাপক।

এমিলি বলেন, চিকিৎসাকাজে ব্যবহৃত মাস্কের পরিস্রাবণক্ষমতা খুব ভালো। কিন্তু সেগুলো যেভাবে মানুষের মুখে থাকে, তা যথাযথ নয়।

গবেষণা অনুযায়ী, মাস্কের কার্যকারিতা ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ভিন্ন হয়। কারণ, প্রত্যেক ব্যক্তির মুখমণ্ডলের আকার, আকৃতি ও গঠন ভিন্ন। আবার প্রত্যেক ব্যক্তির ক্ষেত্রে মাস্কের মাপও ভিন্ন হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, সার্জিক্যাল মাস্কের ওপর যদি কাপড়ের মাস্ক পরা হয়, তাহলে কার্যকারিতা ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ে।

গবেষক এমিলি বলেন, করোনার বিস্তার রোধে মাস্ক কতটা কার্যকর, তা যেমন গবেষণায় উঠে এসেছে, তেমনি উঠে এসেছে দ্বৈত মাস্কের ভূমিকার বিষয়টিও।

করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মাস্ককে একটি অপরিহার্য হাতিয়ার হিসেবে দেখা হচ্ছে। করোনার বিস্তার ঠেকাতে অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার পাশাপাশি অবশ্যই মাস্ক পরতে বলছেন জনস্বাস্থ্যবিদেরা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনসম্মুখে (পাবলিক প্লেস) মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন