বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বরাতে এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, যেসব দেশ তাদের জনসংখ্যার ৪০ শতাংশের বেশি টিকাদান করেছে, তারা কোভিড -১৯ সংকট বন্ধ করতে খুব কম কাজ করছে। যেখানে তাদের এটা নিশ্চিত করা উচিত যেসব দেশে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এখনো রয়ে গেছে, সেসব দেশে টিকা পৌঁছে কি না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চেয়েছিল, সেপ্টেম্বরের মধ্যেই যেন প্রতিটি দেশের অন্তত ১০ শতাংশ মানুষ টিকার পূর্ণ ডোজ পায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেন, বিশ্বের ৫৬টি দেশে এই লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব হয়নি। এর জন্য অবশ্য তারা দায়ী নয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, প্রতি মাসে দেড় বিলিয়ন টিকার ডোজ তৈরি করা হচ্ছে। এই হিসেবে এক সপ্তাহের কম উৎপাদিত টিকা দিয়েই ১০ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো সম্ভব।

সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের মহাসচিব ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান দুজনই উপস্থিত ছিলেন। টিকার বৈষম্য করোনা মহামারি দীর্ঘায়িত করার প্ররোচনা দিচ্ছে। তিনি বলেন, এর কারণে নতুন নতুন ধরন তৈরি হচ্ছে। যেগুলো ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ছে। এ সময় তিনি মহামারিতে মৃতদের প্রতি সমবেদনা জানান।

উল্লেখ্য, নিম্ন আয়ের দেশগুলো ১ শতাংশের অর্ধেকের কম টিকা পেয়েছে। আফ্রিকায় মাত্র ৫ শতাংশের কম লোকের টিকার পুরো ডোজ সম্পন্ন হয়েছে।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন