বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিষ্ঠানটি প্রসঙ্গে ব্লুমবার্গ টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্মিড বলেছেন, ভালোর দিক বিবেচনা না করে অনেক বেশি আয়ের দিকটা চিন্তা করেছে ফেসবুক।

প্রতিষ্ঠানটি থেকে ফাঁস হওয়া তথ্যে তা দেখা যায়। ওই নথি যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ও কংগ্রেসের কাছে পেশ করেছেন ফেসবুকের সাবেক কর্মী ফ্রান্সেস হাউগেন। তা পরে ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল ও ব্লুমবার্গের মতো গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। নথিতে দেখা গেছে, মেটা ঘৃণ্য বক্তব্য ও ভুয়া তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে।

অভ্যন্তরীণ গবেষণাতেও উঠে এসেছে, ফেসবুকের ফটো শেয়ার করার অ্যাপ ইনস্টাগ্রাম কিশোরীদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি করে। স্মিড আরও বলেন, ‘সবচেয়ে বিরক্তিকর বিষয় হচ্ছে, মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই ফেসবুক নিয়ে এসব কথা বলে আসছে। ফেসবুক তা বুঝতে পারেনি বা অনুধাবন করেনি। তবে ফাঁস হওয়া তথ্য থেকে আমরা জেনেছি, এ ধরনের কোম্পানি বিশেষ করে ফেসবুক কী করছে, তা আগে থেকেই জানত।’

ফেসবুকের সমালোচনা করলেও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণের বিপক্ষে স্মিড। তিনি বলেন, ‘নিয়ম হয় খুব তাড়াতাড়ি প্রয়োগ করা হয় বা খুব দেরিতে প্রয়োগ করা হয়। এর বদলে আমি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর যথাযথ সংযম চাইব।’

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন