বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত রোববার কিউবায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। করোনার সংক্রমণ আর অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে কিউবার জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছিল। বিশেষত, খাবার ও জ্বালানির মতো নিত্যপণ্যের ঘাটতি, নাগরিক অধিকার খর্ব হওয়া এবং মহামারির লাগাম টানতে কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতার অভিযোগ দেশটির জনগণকে বিক্ষুব্ধ করে তুলেছে।

কিউবার প্রধানমন্ত্রী ম্যানুয়েলে মারেরোর পাশাপাশি বুধবার দেশটির প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ–ক্যানেলের টেলিভিশনে আমদানি শুল্ক তুলে নেওয়ার কথা বলেন।

মারেরো বলেন, ‘অনেক ভ্রমণকারীর এ বিষয়ে দাবি ছিল। তাই এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন ছিল।’ তবে এ পদক্ষেপের ফলে ঠিক কী ধরনের প্রভাব পড়বে, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

কিউবার আইন অনুযায়ী, কোনো ভ্রমণকারী চাইলে শুল্ক ছাড়াই ১০ কেজির বেশি ওষুধ আনতে পারবেন। তবে তাঁরা শুল্ক দিয়ে সীমিত খাবার ও পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যবহার উপযোগী পণ্য আনতে পারেন। মারেরো বলেন, সোমবার থেকে এসব পণ্যের শুল্ক তুলে নেওয়া হবে।

খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, নাগরিক স্বাধীনতা কমে আসা এবং মহামারি মোকাবিলায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষের মধ্যে রোববার রাস্তায় নেমে আসেন কিউবার লাখো মানুষ। এ সময় তাঁরা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও করোনা মহামারি মোকাবিলায় টিকার দাবিতে স্লোগান দেন।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে বাইরের দেশ থেকে কিউবায় আসা লোকজনকে রাজস্ব শুল্ক ছাড়া প্রয়োজনীয় পণ্য আনার অনুমোদন দেওয়ার কথাও বলা হয়। কিউবাজুড়ে নজিরবিহীন এ সরকারবিরোধী বিক্ষোভে ইতিমধ্যে কয়েক ডজন মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছেন। সোমবার রাজধানী হাভানার শহরতলিতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেছে দ্বীপরাষ্ট্রটির রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন