বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এবারের নোবেল আয়োজন নিয়ে গতকাল শনিবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। এতে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির লাগাম টানতে সম্মুখসারির বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ডব্লিউএইচও এবার শান্তিতে নোবেল পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষত করোনা নিয়ন্ত্রণে বিশ্বজুড়ে পরিচালিত টিকাদান প্রকল্প কোভ্যাক্স সফলভাবে পরিচালনা করায় সংস্থাটির নোবেল জয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। জাতিসংঘের এ সংস্থা ১৯৪৮ সালে যাত্রা করলেও এখনো নোবেল পুরস্কার জেতেনি।

করোনা মহামারির লাগাম টানতে সম্মুখসারির বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ডব্লিউএইচও এবার শান্তিতে নোবেল পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষত করোনা নিয়ন্ত্রণে বিশ্বজুড়ে পরিচালিত টিকাদান প্রকল্প কোভ্যাক্স সফলভাবে পরিচালনা করায় সংস্থাটির নোবেল জয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

তবে ডব্লিউএইচওর নোবেল জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড্যান স্মিথ সিএনএনকে বলেন, ‘ডব্লিউএইচওর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সংস্থাটিকে চীনঘেঁষা মন্তব্য করে এতে অর্থ জোগান দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তাই ডব্লিউএইচও শান্তিতে নোবেল পেলে অনেকেই অবাক হবেন।’

এদিকে চলতি বছর শান্তিতে নোবেল বিজয়ী হিসেবে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্নের নাম জোরেশোরে শোনা যাচ্ছে। জোরালো গুঞ্জন রয়েছে রাশিয়ার বিরোধী নেতা অ্যালেক্সি নাভালনি ও সুইডেনের তরুণ জলবায়ুকর্মী গ্রেটা থুনবার্গকে নিয়েও। এবার শান্তিতে নোবেল জয়ের জন্য ৩২৯টি মনোনয়ন দিয়েছে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি। এর মধ্যে ২৩৪ ব্যক্তি ও ৯৫ প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে। তবে কমিটির নিয়ম মেনে এসব নাম গোপন রাখা হয়েছে। বিজয়ীর নাম ঘোষণার অন্তত ৫০ বছরের মধ্যে মনোনয়ন পাওয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম জানার সুযোগ নেই।

ড্যান স্মিথ বলেন, ‘শান্তিতে নোবেল দেওয়ার ক্ষেত্রে শান্তি স্থাপনকারী ও মধ্যস্থতাকারীদের প্রাধান্য দেওয়া হয়। তবে করোনার কারণে এবার শান্তি স্থাপনের বদলে মানবাধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জলবায়ু সুরক্ষায় ভূমিকা রাখা ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান গুরুত্ব পেতে পারে।’

আগামী শুক্রবার চলতি বছরের শান্তিতে নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। ডিসেম্বরে বিজয়ীর হাতে তুলে দেওয়া হবে পুরস্কারের পদক, সনদ ও অর্থ। তবে করোনা মহামারির কারণে এবার বিজয়ীরা নিজ নিজ দেশে বসেই পুরস্কার গ্রহণ করবেন। গত বছর শান্তিতে নোবেল জিতেছিল জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। ২০১৯ সালে বিশ্বের ৮৮টি দেশের প্রায় ১০০ মিলিয়ন মানুষের মুখে খাবার জোগানোয় নোবেল পুরস্কার পায় সংস্থাটি।

সুইডেনের বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের নামে ও তাঁর রেখে যাওয়া অর্থে ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়। প্রতিবছর চিকিৎসা, পদার্থ, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতি—এ ছয় শাখায় নোবেল দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন