নিউজউইক–এর খবরে বলা হয়েছে, আন্না থাকেন ওয়াশিংটনে। সেখানকার এক প্রতিবেশী তাঁর পোষা বিড়ালটির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ এনেছিলেন। ওই প্রতিবেশীর অভিযোগের ভিত্তিতে মিসকাকে জেলে নেওয়া হয়েছিল। এখানেই শেষ নয়। সেই সময় শহরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আন্নাকে জরিমানাও করেছিল। মূলত এরপরই আইনি পথ বেছে নেন আন্না। তাঁর কাছ থেকে জরিমানা চাওয়া হলে তিনি সরকারি ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল ফক্স ১১–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আন্নার আইনজীবী জন জিমারমান বলেন, ওয়াশিংটনের সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষ একটি অযৌক্তিক ও অবিশ্বাস্য বিচার করেছিল। নতুন যে বিচারটি হয়েছে, তা সত্যিকার অর্থেই ঐতিহাসিক।

আইনি লড়াইটি সহজ ছিল না আন্নার জন্য। কারণ, তিন বছর তাঁকে আদালতে যেতে হয়েছে। অবশেষে আদালত বলেছেন, আন্নার বিড়াল বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তা একেবারে ভিত্তিহীন।

আন্নার মতো অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রে এমন হয়রানির শিকার হয়েছেন। এ ছাড়া ঝক্কির কারণে অনেকে পোষা প্রাণী রাখা ছেড়েও দিয়েছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ইচ্ছা থাকার পরও অনেকে পোষা প্রাণী রাখতে পারেন না। ভ্রমণের সময় পোষা প্রাণীটি কোথায় থাকবে, এই বিষয়ে চিন্তা করে ৩৪ শতাংশ মানুষ পোষা প্রাণী রাখেন না। সময়ের অভাবে পোষা প্রাণী রাখেন না ২৮ শতাংশ মানুষ। আর বাড়ির মালিক রাখতে দেন না, এ জন্য পোষা প্রাণী রাখেন না এমন মানুষের সংখ্যা ২৮ শতাংশ।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন