ক্যালিফোর্নিয়ার মৎস্য ও বন্য প্রাণী বিভাগ জানায়, হাংক এ পর্যন্ত ৩৮টি বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে। হাংকের বিষয়ে তাদের কাছে ১৫০টির বেশি ফোন কল এসেছিল। সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, সর্বশেষ ফোন কল পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে গিন হাংককে দেখতে পান। এটি একটি সরু জানালা ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢোকে। পরে পুলিশ এটিকে ঘর থেকে বের করতে দরজায় আঘাত করতে থাকে। একপর্যায়ে এটি পেছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে যায়।

হাংকের এমন উপস্থিতি সেখানকার কর্মকর্তাদের ভাবাচ্ছে। সেখানকার বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপক জানান, গত এক সপ্তাহে হাংককে ধরতে তাঁরা একাধিক ফাঁদ পেতেছিলেন। কিন্তু কোনো সফলতা আসেনি। ফাঁদ পাতার পাশাপাশি তাঁরা বিকল্প পদ্ধতি নিয়েও ভাবছেন। হাংক-ই সব তাণ্ডবের সঙ্গে যুক্ত, তা নিশ্চিত হতে তাঁরা ডিএনএ সংগ্রহের কাজ অব্যাহত রেখেছেন।

মৎস্য ও বন্য প্রাণী বিভাগ বলছে, বাড়ির মালিকেরা কয়েক মাস ধরে ধোঁয়া দেওয়াসহ অন্যান্য চেষ্টা চালিয়েও ভালুকটির তাণ্ডব থেকে বাঁচতে পারেননি। এটি বাড়িঘরে প্রবেশের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্পদের ক্ষতি করেই চলেছে। এ অবস্থায় চেতনানাশক প্রয়োগের মাধ্যমে তাকে বশে আনাই হতে পারে শেষ পদ্ধতি।

প্রাণী সুরক্ষা নিয়ে কাজ করা সংগঠন দ্য বিয়ার লিগ বলছে, বিশাল আকার ও আগ্রাসী মনোভাবের কারণে হাংককে মুক্ত রাখা ঠিক হবে না। তবে তারা হাংককে হত্যা পরিকল্পনার ঘোরবিরোধী। তারা হাংকের জন্য একটি নিরাপদ আবাসের চেষ্টা করছে বলেও জানায়।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন