বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম দিকে মূলত চীনে এর প্রকোপ দেখা দিলেও এরপর করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্র হয়ে ওঠে ইউরোপ। বিশেষ করে ইতালি, স্পেন ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলোতে উদ্বেগজনক হারে এর বিস্তার ঘটে। পরে জার্মানি, ফ্রান্স ও অন্যত্র এর প্রকোপ শুরু হয়। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে দেখা দেয় করোনার প্রাণঘাতী ঢেউ। দেশটির অবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে আট লক্ষাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। আবার সংক্রমণ বাড়ার শঙ্কা করা হচ্ছে।

default-image

ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের পর ভাইরাসটির প্রাণঘাতী রূপ দেখে ভারত। চলতি বছরের শুরুতে দেশটিতে দিনে চার লাখের বেশি মানুষের করোনা শনাক্ত হয়েছে। দৈনিক হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুতে মারাত্মক এক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ভারত। দেশটির স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। শ্মশানে লাশ পোড়ানোর মতো স্থানের সংকট দেখা দেয়। দিনরাত ২৪ ঘণ্টা শ্মশানে চিতা জ্বললেও সৎকারের সুযোগ না পেয়ে অনেকে লাশ ভাসিয়ে দেয় নদীতে। সেসব লাশ ভেসে ওঠে গঙ্গার বুকে।

default-image

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত যে ১০ দেশ

চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হওয়ার পর বিশ্বে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। শুরু থেকে ভাইরাস নিয়ে সার্বক্ষণিক হিসাব দিচ্ছে করোনার সার্বক্ষণিক তথ্য প্রকাশকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস ডট ইনফো। ওয়ার্ল্ডোমিটারসের দেওয়া সবশেষ (রোববার, ২৬ ডিসেম্বর) হিসাব অনুযায়ী, ২৭ কোটি ৯৪ লাখের বেশি মানুষের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। অতিসংক্রামক ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৫৪ লাখের বেশি মানুষ।

দুই বছরে করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় টানা শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এ পর্যন্ত সোয়া পাঁচ কোটির বেশি মানুষের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এই ভাইরাসের সংক্রমণে প্রাণহানির সংখ্যা আট লাখ ছাড়িয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন অমিক্রনের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পর সংক্রমণের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানটি ভারতের। দেশটিতে প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষের করোনা শনাক্ত হয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন পৌনে পাঁচ লাখের বেশি। তবে সংক্রমণে ভারতের চেয়ে পেছনের অবস্থানে থাকলেও মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের পরই দ্বিতীয় অবস্থানটি ব্রাজিলের। লাতিন আমেরিকায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ব্রাজিলে ২ কোটি ২০ লাখ মানুষের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সোয়া ছয় লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

সংক্রমণ বিবেচনায় চতুর্থ থেকে দশম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, তুরস্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইরান ও স্পেন। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও ভারতের পর রাশিয়ায় করোনায় মৃত্যু তিন লক্ষাধিক। মৃত্যুর দিক দিয়ে রাশিয়ার অবস্থান চতুর্থ। আর বেশি মৃত্যুর তালিকায় মেক্সিকোর অবস্থান পঞ্চম। এ ছাড়া করোনায় দুই লক্ষাধিক মৃত্যু দেখেছে শুধু লাতিন আমেরিকান দেশ পেরু।

করোনা শনাক্তে চতুর্থ অবস্থানে থাকলেও মৃত্যুতে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটিতে করোনা শনাক্ত সোয়া কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় দেড় লাখের মৃত্যু হয়েছে। সংক্রমণে প্রথম দশ দেশের মধ্যে না থাকলেও প্রাণহানিতে ইন্দোনেশিয়া অষ্টম।

দেশটিতে প্রায় দেড় লাখ মানুষ করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন। ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মৃত্যু নিয়ে নবম ও দশম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে ইতালি ও ইরান। এ ছাড়া কলম্বিয়া, ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা ও জার্মানি লক্ষাধিক প্রাণহানি দেখেছে।

default-image

চ্যালেঞ্জের মুখে স্বাস্থ্যব্যবস্থা

করোনাভাইরাস মহামারি বিশ্বের স্বাস্থ্যসেবাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। মহামারির প্রকোপ শুরু হওয়ার পর দেশে দেশে দেখা দিয়েছে অক্সিজেন, জরুরি ওষুধ, হাসপাতালে শয্যার অভাব। ভাইরাসটির সংক্রমণ ভয়াবহ আকার ধারণ করায় বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যসেবা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। নানা সংকটে বহু দেশে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়। মৃত্যুপথযাত্রী অনেক রোগীর হাসপাতালেও ঠাঁই হয়নি।

হাসপাতালগুলোকে করোনা রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে দেখা যায়। অনেকের অবস্থা গুরুতর হলেও হাসপাতালে ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। নিরুপায় বহু রোগী ঘরে চিকিৎসা নেন। হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয়। সংকট তৈরি হয় অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিয়েও। বহু চেষ্টায় কোনো হাসপাতালে শয্যা পেলেও রোগীকে নেওয়া হয় কঠিন কাজ। অ্যাম্বুলেন্সের অপেক্ষায় থেকে অনেকের মৃত্যুও হয়েছে। অক্সিজেন সিলিন্ডার, জীবন রক্ষাকারী ওষুধ ও আইসিইউ শয্যার জন্য সহায়তা চেয়ে করা পোস্টে ভরে ওঠে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো।

আর্থিক সংগতি ও যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা না পেয়েও মহামারিকালে চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে গত বছর বিশ্বের ৫০ কোটির বেশি মানুষ চরম দারিদ্র্যের দিকে চলে গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও বিশ্বব্যাংক এসব তথ্য জানিয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারি বিদ্যমান এমন পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বৈশ্বিক এই সংস্থা দুটি।

ডব্লিউএইচও ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির কারণে বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যসেবা বিঘ্নিত হয়েছে। এটি বিগত শতকের ৩০-এর দশকের পর সবচেয়ে বাজে অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে। এ পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার খরচ মেটানো আরও কঠিন করে তুলেছে। বিশ্বে করোনা মহামারির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ১০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো অন্যান্য টিকাদান কার্যক্রমের আওতা কমে গেছে। আর যক্ষ্মা ও ম্যালেরিয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে।

ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সুনিশ্চিত করার আহ্বান জানান। বিশ্বব্যাংকের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যাবিষয়ক আন্তর্জাতিক পরিচালক হুয়ান পাবলো উরিবে এ প্রসঙ্গে বলেন, আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সরকারগুলোকে স্বাস্থ্য বাজেট বাড়াতে হবে।

default-image

টিকার অগ্রগতি

করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ার পর সবার আগে যে বিষয়টি নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয় সেটি হলো, কোভিড–প্রতিরোধী একটি টিকা। এরপরই দ্রুতগতিতে টিকা উদ্ভাবনের চেষ্টা শুরু হয়। একাধিক প্রতিষ্ঠান ও ফার্মাসিউটিক্যাল পাল্লা দিয়ে টিকা উদ্ভাবনের প্রতিযোগিতায় নামে। এর ফলও অবশ্য পেয়েছে গোটা বিশ্ব। ইতিমধ্যে দশটি টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

২০২০ সালের ৮ ডিসেম্বর ব্রিটেনে প্রথম টিকা দেওয়ার মাধ্যমে বিশ্বে করোনার গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। প্রতিটি মহাদেশেই এখন টিকা দেওয়া হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত চারটি দেশে করোনার টিকা দেওয়া শুরু হয়নি। টিকাদান কর্মসূচি শুরু পর এখন পর্যন্ত ১২ বছরের বেশি বয়সী বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৫৭ দশমিক ৫ শতাংশ এক ডোজ টিকা নিয়েছেন। টিকা উৎপাদক কোম্পানিগুলোর কাছে সব দেশ মিলিয়ে ২০২১ সালের জন্য ১ হাজার ৫০০ কোটি ডোজ কেনার চুক্তি হয়েছে।

বিশ্বে ১২ বছরের বেশি বয়সী জনসংখ্যা এখন আনুমানিক ৬২০ কোটি। দেশগুলো যত ডোজ টিকার কেনার চুক্তি করেছে, সেই হিসাব করলে প্রত্যেকের জন্য ২ দশমিক ৮ ডোজ টিকা বরাদ্দ রয়েছে। তবে বিশ্বজুড়ে টিকাদানে অবশ্য বৈষম্যও রয়েছে। যেমন কানাডা টিকা কেনার জন্য যে চুক্তি করেছে সেই হিসাব করলে দেখা যাবে, দেশটির ১২ বছরের বেশি বয়সী সবার জন্য বরাদ্দ ১৩ ডোজ টিকা। এ ছাড়া বিশ্বের বহু দেশ তৃতীয় ডোজ দিচ্ছে। কোথাও চতুর্থ ডোজের পরিকল্পনা চলছে।

দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোর জন্য টিকার বন্দোবস্ত করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘কোভ্যাক্স’ নামে বিশ্বে টিকা বণ্টনের একটি উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি বছরে এই কোভ্যাক্স থেকে ৯১টি দেশে ১৭০ কোটি ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যে অধিকাংশ বণ্টন হয়েছে। এ টিকা না হলে অনেক দেশ আরও পিছিয়ে পড়ত। বিশেষ করে আফ্রিকা ও এশিয়ার অনেক দেশ কোভ্যাক্স উদ্যোগ থেকে টিকা পাওয়ার ওপর নির্ভর করে নিজ নিজ দেশে করোনার টিকাদান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে।

এখন পর্যন্ত বিশ্বের মোট ৯৯টি দেশে ১২ বছরের বেশি মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি কোভিড টিকার অন্তত এক ডোজ পেয়েছেন। তবে টিকাদানে শীর্ষস্থানটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের। দেশটির শতভাগ মানুষ কোভিডের টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন। তবে দ্বিতীয় ডোজ সবচেয়ে বেশি দিয়েছে ইউরোপের দ্বীপরাষ্ট্র মাল্টা। বিশ্বজুড়ে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি টিকা দেওয়া হয়েছে সবচেয়ে বেশি। এ বছরে ৭৪টি দেশে অক্সফোর্ড টিকার ২৭০ কোটি ডোজ প্রয়োগের কথা রয়েছে।

default-image

নতুন উদ্বেগ অমিক্রন

বৈষম্য থাকলেও টিকাদানের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পরিস্থিতি যখন আবার স্বাভাবিকের দিকে যাচ্ছিল, তখন নতুন একটি ধরন শনাক্ত করা হয়েছে। নভেম্বরে আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হওয়া অমিক্রন নামের এই ধরনটি করোনাভাইরাসের এখন পর্যন্ত যতগুলো ধরন শনাক্ত হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বার জিনগত রূপবদল (মিউটেশন) করেছে। অন্য ধরন এমনকি একসময় বিশ্বজুড়ে আধিপত্যশীল ডেলটার তুলনায় অমিক্রন বেশি সংক্রামক হওয়ায় এই ধরনটি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।

সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানায়, অমিক্রন ধরন খুব উচ্চ বৈশ্বিক ঝুঁকি তৈরি করেছে। প্রাথমিক তথ্য–প্রমাণ ইঙ্গিত দিচ্ছে, অমিক্রন ধরন সংক্রমণের বিরুদ্ধে টিকার কার্যকারিতা হ্রাস করে। অনেকগুলো রূপান্তর হওয়ায় অমিক্রন ধরনটি নিয়ে বিশ্বে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। অমিক্রনকে বর্তমানে বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি বলে অভিহিত করেছে শিল্পোন্নত সাত দেশের জোট জি-৭। এর প্রকোপ ঠেকাতে দেশে দেশে আবার বিধিনিষেধ জারি হচ্ছে।

ইতিমধ্যে বিশ্বের শতাধিক দেশে শনাক্ত হয়েছে করোনার অতিসংক্রামক অমিক্রন ধরন। ইউরোপে প্রকোপ শুরু হয়েছে সবচেয়ে বেশি। ডব্লিউএইচওর হিসাবে ইউরোপীয় অঞ্চলের ৫৩ দেশের মধ্যে কমপক্ষে ৩৮টি দেশে ধরনটি শনাক্ত হয়েছে। তবে ইউরোপে সবচেয়ে বাজে অবস্থা যুক্তরাজ্যের। করোনা মহামারি শুরুর পর প্রথমবারের মতো সম্প্রতি দেশটিতে এক দিনে লক্ষাধিক মানুষের করোনা শনাক্ত হয়। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন সংক্রমিত ব্যক্তিদের মধ্যে ৭৩ শতাংশই অমিক্রনে আক্রান্ত।
এই পরিস্থিতিতে ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংক্রমণরোধে বিধিনিষেধ ফিরছে। আগামী জানুয়ারির শুরুর দিকে এর আরও বিস্তার ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন গবেষকেরা। শুধু ইউরোপ বা আমেরিকা নয়, ভারতসহ বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তে আগামী বছরের শুরুর দিকে অমিক্রনের প্রকোপ শুরুর পূর্বাভাস দিচ্ছেন বহু গবেষক ও বিজ্ঞানী। এদিকে অমিক্রন নিয়ে ডব্লিউএইচও বলছে, করোনার নতুন ধরনটি কতটা ক্ষতিকর হতে পারে, তা নিয়ে বলার মতো যথেষ্ট তথ্য-উপাত্ত এখন পর্যন্ত তাঁদের হাতে নেই।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি কোনদিকে যাবে, আরও কত সংক্রমণ ও কত প্রাণ কাড়বে, সেটা অজানা। এই ভাইরাস যেভাবে বছরের পর বছর প্রকোপ ছড়িয়ে চলেছে, তাতে করে এমন সিদ্ধান্তে আসার উপায় নেই যে কবে এর অবসান ঘটবে। তবে অমিক্রনসহ বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে বোঝা যাচ্ছে, শঙ্কা আরও থাকবে। প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস যেমন আশঙ্কা করে বলেছেন, ‘আমরা মহামারির সবচেয়ে খারাপ অংশে প্রবেশ করতে পারি।’

তথ্যসূত্র: বিবিসি, রয়টার্স, এএফপি, ইকোনমিস্ট, ওয়ার্ল্ডোমিটারস

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন