বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সায়েন্স অ্যালার্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী নাকের টিস্যু ফুলিয়ে এক পাশ বন্ধ এবং অপর পাশ খোলা রাখা হয়। কাজটি করা হয় রক্তপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রক্তপ্রবাহ বাড়লে এক পাশের নাসারন্ধ্র তিন থেকে ছয় ঘণ্টার জন্য কাজ করা কমিয়ে দেয়। এরপর অপর নাসারন্ধ্রের পালা। কোন কাত হয়ে শুয়ে আছেন, সেটাও নাকের বন্ধ-খোলায় প্রভাব রাখে।

কেন হয়

এ চক্র আমাদের ঘ্রাণের অনুভূতিতে ভারসাম্য আনতে সাহায্য করে বলে মনে করা হয়। মেন্টালফ্লসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাক দিয়ে জোরে বাতাস প্রবাহের সময় কিছু ঘ্রাণ ভালো পাওয়া যায়। আবার কিছু ঘ্রাণ ভালো পাওয়া যায় ধীরগতির বাতাসের সঙ্গে।

নাকের এক পাশ যদি উন্মুক্ত এবং অপর পাশ সামান্য বন্ধ থাকে, তবে একসঙ্গে সব ধরনের ঘ্রাণ ভালো পাওয়া যাবে।

তা ছাড়া এ চক্রে প্রতিটি নাসারন্ধ্র নির্দিষ্ট সময় অন্তর বিরতি পায়। সারাক্ষণ তীব্র বেগে শ্বাসপ্রশ্বাস চলতে থাকলে নাকের ভেতরটা শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। আবার নাকের ভেতরের ছোট লোমগুলোরও ক্ষতি হতে পারে। এ লোমগুলো আছে বলেই বাইরে থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত উপাদান ভেতরে যেতে পারে না।

সর্দি লাগলে ব্যাপারটা অসহ্য মনে হয় কেন

আপনি অসুস্থ থাকলে এ প্রক্রিয়া অসহ্য মনে হতে পারে। কারণ যে নাসারন্ধ্র সাময়িক বন্ধ থাকে, সেটি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি আটকে আছে বলে মনে হয়। সর্দি লাগলে শরীরের রোগপ্রতিরোধক ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া হিসেবে নাকের রক্তনালি প্রসারিত হয়। তা ছাড়া শ্লেষ্মা উৎপাদনের পরিমাণও বেড়ে যায়। এ দুই মিলিয়ে এক পাশের নাসারন্ধ্র পুরোপুরি বন্ধ মনে হয়।

সুতরাং পরে যখন মনে হবে আপনার নাকের কেবল এক পাশ বন্ধ হয়ে আছে, তখন মনে রাখবেন এটা পুরোটাই স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া। যে প্রক্রিয়া আপনার ঘ্রাণ নেওয়ার ক্ষমতা স্বাভাবিক রাখে। আবার নাক যেন অতি শুষ্ক না হয়ে যায়, সেটাও ঠিক রাখে।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন