বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল সোমবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ন্যাচারাল কমিউনিকেশনস জার্নালে গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে করোনা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন ইম্পিরিয়াল কলেজ লন্ডনের গবেষকেরা। সাধারণ ভাইরাসজনিত সর্দি-জ্বরে আক্রান্তের ফলে ৫২ জনের শরীরে উৎপন্ন টি-সেলের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন তাঁরা। গবেষণায় দেখা গেছে, কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শের পরও আগে থেকেই শরীরে উচ্চ মাত্রায় টি-সেল থাকায় ৫২ জনের মধ্যে ২৬ জন সংক্রমণ থেকে রক্ষা পান।

গবেষণার লেখক রিয়া কুণ্ডু বলেছেন, ‘আমরা মানুষের শরীরে আগে থেকে বিদ্যমান উচ্চ মাত্রার টিল-সেল খুঁজে পেয়েছি, যা সাধারণ সর্দির মতো ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কারণে সেগুলো শরীরে উৎপন্ন হয়েছে। এই টি-সেল কোভিড-১৯ সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে।’ তবে গবেষকেরা সতর্ক করে বলেন, সম্প্রতি জ্বর-সর্দি থেকে সেরে উঠেছেন, তাই আর করোনায় সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি একেবারে নেই, এমনটা ভাবলে ‘বড় ধরনের ভুল’ হবে।

এদিকে সিএনবিসি গতকাল জানায়, ইউনিভার্সিটি অব সাইপ্রাসের বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেসের অধ্যাপক লিওনডিওস কসট্রিকিস স্থানীয় সময় শুক্রবার দেশটির সংবাদমাধ্যমের কাছে ডেলটাক্রন নামের করোনার নতুন ও মিশ্র একটি ধরন শনাক্ত হওয়ার খবর জানান। লিওনডিওস সাইপ্রাসের ল্যাবরেটরি অব বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড মলিকিউলার ভাইরোলজিরও প্রধান। লিওনডিওস বলেন, এখন অমিক্রন ও ডেলটার সহসংক্রমণ চলছে। তাঁরা করোনার এমন একটি নতুন ধরন শনাক্ত করেছেন, যেটি অমিক্রন ও ডেলটার সংমিশ্রণ।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন